বরই গাছ মাঝারি ধরনের একটি ভেষজ উদ্ভিদ। এটি উচ্চতায় ২০ থেকে ৩০ ফুট পর্যন্ত হয়ে থাকে। বরই গাছের শাখা প্রশাখা নিম্নমুখী এবং প্রতি পাতার বোটার গোড়ার দিকে একটি করে কাঁটা থাকে। কচি পাতা ঘন লোম যুক্ত। পাতা ডিম্বাকৃতির ৫ থেকে ৮ সেঃমিঃ লম্বা হয়ে থাকে। ফুল সাদা বর্ণের, ফল কাচা অবস্থায় সবুজ, ফেব্রুয়ারী থেকে মার্চ মাসে ফল পাকে। পাকা ফল হলদে বা লালচে হয়। বরই বদহজম, পেটফাঁপা, আমাশয়, ডায়রিয়া, কোষ্টকাঠিন্য, শ্বেতপ্রদর ও ফোঁড়ায় উপকারী। রাসায়নিক উপাদানের মধ্যে কান্ডের বাকলে রয়েছে ট্যানিন ও রেজিন। ফলের মধ্যে রয়েছে মিউসিলেজ ও বিভিন্ন অর্গানিক এসিড এবং পাতায় রয়েছে প্রোটোপিন ও বারবিরিন অ্যালকালয়েড। ঔষধে শুস্ক ফল, গাছের বাকল ও পাতা ব্যবহৃত হয়।
সাধারণ গুণাগুণঃ
- ১০ গ্রাম শুকনো বরই , ৫ গ্রাম বেলশুঁঠ চুর্ণ একত্রে মিশিয়ে ৩ কাপ পানিতে জ্বাল দিয়ে ১ কাপ থাকতে নামিয়ে ছেকে নিয়ে নিয়মিত কিছুদিন দৈনিক ২/৩ বার করে সেবন করলে পাতলা পায়খানায় উপকার পাওয়া যায়।
- ২ গ্রাম পরিমান বাকল চুর্ণের সাথে সমপরিমাণ ডালিম বাকল চুর্ণ মিশিয়ে নিয়মিত কিছুদিন দৈনিক ২/৩ বার করে সেবন করলে রক্ত আমাশয়ে উপকার পাওয়া যায়।
- ৫ গ্রাম শুকনো ফলের সাথে ২ গ্রাম পরিমাণ সুপারী চুর্ণ মিশিয়ে নিয়মিত ২ থেকে ৩ মাস, দৈনিক ২ বার করে সেবন করলে শ্বেতপ্রদর রোগে উপকার পাওয়া যায়।
আশাকরি আজকের এই আর্টিকেল থেকে আপনি কিছুটা হলে ও উপকৃত হয়েছেন। ব্লগগুলো নিয়মিত পড়লে চিকিৎসা বিষয়ক নতুন নতুন তথ্য পাবেন ইনশাল্লাহ। ধন্যবাদ।
হাকীম মোঃ গাজীউর রহমান ফিরোজ
ডি,ইউ,এম,এস (ঢাকা)কিউ,এইচ,সি,এ
ইউনানী ফিজিশিয়ান
মেবাইল নং ০১৭১৫-৪৯৮১০৬



