ঝিঙ্গা / ঝিমানি / কোষাতকী ( Ridged Gourd )

0


 

ঝিঙ্গা বর্ষজীবী এক প্রকার লতানো উদ্ভিদ। লতা সাধারণতঃ বেড়ার গায়ে, মাচায় ও অন্য গাছকে আশ্রয় করে প্রশারিত হয়ে থাকে। ফুল হলুদ, সন্ধ্যার পূর্বে ফুল ফোটে। ফল বোটার দিক থেকে ক্রমশঃ মোটা এবং শিড়তোলা। ফল সবুজ বর্ণের, ফলের অভ্যন্তরীণ প্রকোষ্ঠগুলো জালিকার ন্যায়। প্রকোষ্ঠের মধ্যে অনেকগুলো বীজ থাকে। ঝিঙ্গা ক্ষুধাবর্ধক, পিত্ত প্রশমক, ক্রিমিনাশক, বেদনানাশক, বিরেচক, হাঁপানি, কাশি এবং প্লীহা রোগে কার্যকরী। ঝিঙ্গা ফলে মুক্ত এ্যমিনো এসিড , আরজিনিন, গ্লাইসিন,  বীজে স্যাপোনিন গ্লাইকোসাইড এবং কিউকারবিটাসিন বিদ্যমান থাকায় ইহা মানবদেহের জন্য উপকারী। পাতা, ফল, বীজ ও মূল ঔষধে ব্যবহৃত হয়।

সাধারণ গুণাগুণঃ

  • ১৫ মিঃলিঃ পাতা বা ফলের রস ১০০ মিঃলিঃ কুসুম গরম পানিতে মিশিয়ে নিয়মিত  ২ মাস , প্রতিদিন ২ বার করে সেবন করলে শোথ ও মুত্রকৃচ্ছতা রোগে উপকার পাওয়া যায়।
  • ২ গ্রাম পরিমাণ শুস্ক ফল চূর্ণ  ১০০ মিঃলিঃ গরম পানিতে মিশিয়ে নিয়মিত ২০/২৫ দিন, দৈনিক ২ বার করে সেবন করলে রক্ত অর্শ ভাল হয়ে যায়।
  • ঝিঙ্গের মধ্যে পর্যাপ্ত পরিমাণ আশ থাকায় হজমে সহযোগীতা করে এবং গ্যাসের সমস্যা ও দুর করতে সাহায্য করে।
                             আশাকরি আজকের  এই আর্টিকেল থেকে আপনি কিছুটা হলে ও উপকৃত হয়েছেন। ব্লগগুলো নিয়মিত পড়লে চিকিৎসা বিষয়ক নতুন নতুন তথ্য পাবেন ইনশাল্লাহ। ধন্যবাদ।




















হাকীম মোঃ গাজীউর রহমান ফিরোজ
ডি,ইউ,এম,এস (ঢাকা)কিউ,এইচ,সি,এ
ইউনানী ফিজিশিয়ান
মেবাইল নং ০১৭১৫-৪৯৮১০৬


Post a Comment

0 Comments
Post a Comment (0)
To Top