কদম / কদম্ব ( wild Chinchona)

0


 

কদম একটি সুপরিচিত ৪০ থেকে ৫০ ফুট উচু সরল ভেষজ বৃক্ষ। শাখা-প্রশাখা চারদিকে ছড়ানো, বাকল গাঢ় ধুসর বর্ণের এবং আঁইশের মত ফেটে পড়ে যায়।  পাতা লম্বা চামড়ার ন্যায় শক্ত এবং উপরিভাগ উজ্জ্বল ও নিম্নভাগ কোমল লোমযুক্ত। ফুল ফিকে লেবু বর্ণ বিশিষ্ট। বর্ষার শুরুতে  কদমের গোলাকার হলুদ বর্ণের ফুল সকলের দৃষ্টি  আকর্ষণ করে। রাতে ফুলের সুগন্ধ ছড়ায়। ছোট  ফল  গোলাকার ও শাসযুক্ত। বীজ অতিশয়  ক্ষুদ্র। বর্ষায় ঝাঁকে ঝাঁকে মঞ্জরীআসে। সেপ্টেম্বর-নভেম্বর মাসে ফল পাকে। কদম পিত্ত প্রশমক, দাহ নিবারক, শোথ নিবারক, ক্রিমিনাশক, জ্বর নাশক, সাধারণ বলকারক, পিপাসা নিবারক। তাছাড়া  অন্ডকোষ বৃদ্ধি, টিউমার  ও মূত্রকৃচ্ছতায় উপকারী। কদমে রয়েছে  কদাম্বিন, বিটা-সিটোস্টেরল, সিনকোট্যানিক এসিড, কুুইনোভিক এসিড, কদাম্বাজেনিক এসিড,স্যাপোনিনস এবং স্টেরল। ফুলে আছে উদ্বায়ী তেল। ফুল, পাতা ও বাকল ঔষধে ব্যবহৃত হয়।

সাধারণ গুণাগুণঃ

  • ১০ গ্রাম পরিমাণ ফুল ও ৫ গ্রাম পরিমাণ শুকনো গোলাপ ফুল একত্রে মিশিয়ে ৩০০ মিঃলিঃ পানিতে জ্বাল করে  ১৫০ মিঃলিঃ হলে নামিয়ে ছেঁকে ২ চা-চামচ মধু মিশিয়ে নিয়মিত ৭-১০ দিন , দৈনিক ২ বার করে সেবন করলে  অতিরিক্ত পিপাসা ও দাহ নিবারণ হয়।
  • কচি ছাল চন্দনের মত বেটে গরম করে নিয়মিত কয়েক দিন আক্রান্ত  স্থানে প্রলেপ দিলে নতুন টিউমারে উপকার পাওয়া যায়।
  • ৩০ মিঃলিঃ পাতার রস  ১ গ্লাস ডাবের পানির সাথে মিশিয়ে নিয়মিত  ৫- দিন, দৈনিক ৩ বার করে সেবন করলে মূত্রকৃচ্ছতায় উপকার হয়।
  • পরিমাণমত পাতা দিয়ে অন্ডকোষ  বেধে রেখে পরবর্তিতে  নতুন  পাতা ব্যবহার করে এভাবে নিয়মিত ১ থেকে  ২ মাস উক্ত পদ্ধতি  ব্যবহার করলে অন্ডকোষ বৃদ্ধিজনিত সমস্যা দুরবিত হয়ে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে। 

                                     আশাকরি আজকের  এই আর্টিকেল থেকে আপনি কিছুটা হলে ও উপকৃত হয়েছেন। ব্লগগুলো নিয়মিত পড়লে চিকিৎসা বিষয়ক নতুন নতুন তথ্য পাবেন ইনশাল্লাহ। ধন্যবাদ।




















হাকীম মোঃ গাজীউর রহমান ফিরোজ
ডি,ইউ,এম,এস (ঢাকা)কিউ,এইচ,সি,এ
ইউনানী ফিজিশিয়ান
মেবাইল নং ০১৭১৫-৪৯৮১০৬

Post a Comment

0 Comments
Post a Comment (0)
To Top