পালং শাক একটি গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ। শীত মৌসুমে বাজারে বেশি বেশি পাওয়া যায়। শাক হিসাবে এর পরিচিতি বেশি। এই মৌসুমী শাকের বীজ থেকে তেল হয়। শীতকালের শেষে ফুল হয় এবং বসন্তে ফল পাকে। পালং শাকের শিকড়, পাতা, বীজ অর্থাত সমগ্র উদ্ভিদটাই ঔষধে ব্যবহার করা হয়।
সাধারণ গুণাগুণঃ
- পালং শাক, আদা একত্রে মিক্স করে , পরিমাণ মত লেবুর রস দিয়ে জুস তৈরি করে নিয়মিত কিছুদিন খেলে শরীরের ইমিউনো সিস্টেম বৃদ্ধি পায়। যৌন স্বাস্থ্য বৃদ্ধি পায়, শরীর থেকে অতিরিক্ত মেদ কমাতে সহায়তা করে।
- বিষাক্ত পোকা-মাকড়ে কামড়ালে , আক্রান্ত স্থানে পালং শাকের শিকড় বেটে প্রলেপ দিলে বিষক্রিয়া থেকে আরোগ্য লাভ করা যায়।
- যকৃত ও পাকস্থলীর প্রদাহ রোগে , কঁচি পালং শাকের রস ২০ মিঃলিঃ ও সমপরিমাণ ভৃঙ্গরাজ পাতার রস একত্রে মিশিয়ে নিয়মিত প্রতিদিন ৩ বার করে ২ মাস খেলে যকৃত ও পাকস্থলীর প্রদাহ নিরাময় হয়।
- মুত্রকৃচ্ছ্রতা ও পিত্তাধিক্য রোগে কঁচি পালং শাকের রস ২৫ মিঃলিঃ ও জ্বাল করা ১০০ মিঃলিঃ মৌরীর নির্যাস একত্রে মিশিয়ে কিছুদিন খেলে দ্রুত নিরাময় হয়।
আশাকরি আজকের এই আর্টিকেল থেকে আপনি কিছুটা হলে ও উপকৃত হয়েছেন। ব্লগগুলো নিয়মিত পড়লে চিকিৎসা বিষয়ক নতুন নতুন তথ্য পাবেন ইনশাল্লাহ। ধন্যবাদ।
হাকীম মোঃ গাজীউর রহমান ফিরোজ
ডি ইউ এম এস (ঢাকা), কিউ,এইচ,সি,এ
ইউনানী ফিজিশিয়ান
মেবাইল নং ০১৭১৫-৪৯৮১০৬



