পুনর্ণবা বহুপরিচিত একটি শাক জাতীয় ঘন শাখা-প্রশাখাযুক্ত ভূমি প্রসারনী বহু বর্ষজীবী লতানো বীরুৎ জাতীয় গুল্ম। বাংলাদেশের সর্বত্রই পুনর্ণভা পাওয়া যায়। পাতা সরল, সাদা ও হালকা গোলাপী রংয়ের দুই রকম ফুল হয়। পুনর্ণভার বীজ অনেকটা পাটের বীজের মত। পুনর্ণভা শোথ, মুত্রকারক, ফোলা নিবারক,ঋতুস্রাবকারক জন্ডিস ও ঘুসঘুসে জ্বরে উপকারী। পাতায় অ্যালকালয়েড ও পটাশিয়াম লবণ এবং মূরে স্যাপোনিন গ্লাইকোসাইড বিদ্যমান থাকায় ইহা মানবহের জন্য খুবই উপকারী। শিকড় মোটা এবং প্রধান শিকড় শক্ত ও কাটের মত। পুনর্ণবা গাছের কান্ড, পাতা, ফুল, ফল, শিকড় ও মূল ভেষজ ঔষধে ব্যবহার হয়ে থাকে।
সাধারণ গুণাবলীঃ
- কোন রোগের কারনে শরীরে পানি আসলে , পুনর্ণবা শরীর থেকে অতিরিক্ত পানি বের করে দিতে বিশেষ ভূমিকা রয়েছে।
- পুনর্ণবা গাছের পাতা শাক হিসেবে ভাতের সাথে খেলে ও বিশেষ উপকার পাওয়া যায়।
- পিত্ত থলির পাথর, বৃক্ক বা কিডনির পাথর, এবং মুত্রথলির পাথরী রোগ হলে , পুনর্ণবা গাছের শুকনো চুর্ণ ও গোলমরিচ একত্রে মিশিয়ে ১৫-২০ দিন খেলে ধীরে ধীরে পাথর ভেঙ্গে মুত্রের মাধ্যমে শরীর থেকে নির্গত হয়ে যাবে।
- যারা নিদ্রা হীনতায় কষ্ট করেন। নিয়মিত সকাল-বিকাল ২ বার করে ২/৩ দিন খেলে নিদ্রা হীনতা কেটে সুনিদ্রা আনয়ন হবে।
- তাজা পুনর্ণবা গাছের রস ১৫/২০ মিঃলিঃ হালকা গরম করে নিয়ে , নিয়মিত প্রতিদিন সকাল-বিকাল ২বার করে কিছুদিন খেলে শুক্রতারল্য ও পুরাতন কাশি রোগ দ্রুত নিরাময় হয়।
- শ্বাসকষ্ট, জন্ডিস ও লিভারের বিভিন্ন পীড়ায় পুনর্ণবা গাছের শিকড় ব্যবহার হয়।
আশাকরি আজকের এই আর্টিকেল থেকে আপনি কিছুটা হলে ও উপকৃত হয়েছেন। ব্লগগুলো নিয়মিত পড়লে চিকিৎসা বিষয়ক নতুন নতুন তথ্য পাবেন। ধন্যবাদ।
হাকীম মোঃ গাজীউর রহমান ফিরোজ
ডি,ইউ,এম,এস (ঢাকা)কিউ,এইচ,সি,এ
ইউনানী ফিজিশিয়ান
মেবাইল নং ০১৭১৫-৪৯৮১০৬




পুনর্ণবা চিনার উপায় কি?
ReplyDeleteHow much in the ingrediens
ReplyDelete