আলকুশী একটি বর্ষজীবী লতানো গুল্ম জাতীয় ভেষজ উদ্ভিদ।আলকুশী ফল ৪-৬ ইঞ্চি পর্যন্ত লম্বা হয়ে থাকে। ফল হালকা বাকা বা তেঁতুলের মত বাকানো থাকে। আলকুশীর বীজ ও শিকড় ঔষধে ব্যবহার হয়ে থাকে।আলকুশী বীজ রসায়ন, বীর্য গাঢ় কারক, রতিশক্তি বৃদ্ধি কারক এবং মূল বা শিকড় বলকারক।বীজ শিমের বীজের ন্যায় চেপ্টা হালকা পীতবর্ণের। আলকুশী শারীরিক দুর্বলতা প্রশমক,শোথ নিবারক, রক্ত পরিস্কারক, ঋতুস্রাবকারক, বাত নাশক, মুত্রবর্ধক ও মুত্রযন্ত্রের রোগ নিবারক। আলকুশীতে মিউকুন্যাডিন, মিউকোয়াডিন, প্রুরিনিন এবং প্রুরিরিনিডিন এর শক্তিশালী রাসায়নিক উপাদান বিদ্যমান থাকায় তাহা মানবদেহের জন্য খুব উপকারী। আলকুশী বাংলাদেশের সর্বত্র পাওয়া যায়। আলকুশী বীজ ও শিকড় ঔষধে ব্যবহৃত হয়।
সাধারণ গুণাবলীঃ
- যারা স্ত্রীলোক দর্শনেই শুক্রক্ষরণ হয়, শুক্রতারল্য ও যৌন দূর্ভলতা সৃষ্টি হয়, তাদের জন্য আলকুশী বীজের চূর্ণ দুধের সাথে মিশিয়ে কিছুদিন খেলে , অতি মাত্রায় শুক্র সৃষ্টি হবে এবং অশ্বের মত রমনে প্রবৃত্ত করে।
- বিষাক্ত পোঁকা-মাকড়ে কামড়ালে আলকুশী বীজের চূর্ণ আক্রান্ত স্থানে লাগালে বিষ নষ্ট হয়ে যায়।
- আলকুশী শিকড়ের রস নিয়মিত কিছুদিন খেলে শরীরের বাত-ব্যাধি থাকে না।
- সন্তান প্রসব বা অন্য যে কোন কারনে স্ত্রীলোকের যোনী সম্প্রসারিত হয়ে থাকলে , আলকুশী শিকড়ের রস পরিস্কার তুলা বা কাপড়ে ভিজিয়ে যোনী পথে নিয়মিত কিছুদিন ধারণ করলে যোনী সংকোচিত হয়ে আসবে।
- বীজ ভেজে গুড়ো করে খেলে প্রজনন ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, আলকুশী শিকড় ব্যবহারে বুকে কপ জমাট বাধা সেরে যায়।
- আলকুশী শিকড়ের রস মধুর সাথে মিশিয়ে সেবন করলে কলেরা রোগে উপকার পাওয়া যায়।
- ৭ গ্রাম পরিমাণ আলকুশী বীজ ১২৫ মিঃলিঃ তিল তেলে পাক করে আক্রান্ত স্থানে নিয়মিত কিছুদিন ব্যবহার করলে ক্ষত বা ঘায়ে উপকার পাওয়া যায়।
আশাকরি আজকের আর্টিকেল থেকে আপনি কিছুটা হলে ও উপকৃত হয়েছেন। ব্লগগুলো নিয়মিত পড়লে চিকিৎসা বিষয়ক নতুন নতুন তথ্য পাবেন। ধন্যবাদ।
হাকীম মোঃ গাজীউর রহমান ফিরোজডি,ইউ,এম,এস (ঢাকা)কিউ,এইচ,সি,এইউনানী ফিজিশিয়ানমেবাইল নং ০১৭১৫-৪৯৮১০৬



