্আকন্দ মাঝারী ধরনের গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ।এতে প্রচুর পরিমাণ দুধের মত কস থাকে। ্আকন্দ গাছ সাধারনত দুই প্রকার। এক প্রকার আকন্দের ফুল সাদা বর্ণের এবং অপর প্রকার আকন্দের ফুল হালকা বেগুনী বর্নের। আকন্দ গাছের কস, পাতা ও মূল ঔষধে ব্যবহার হয়ে থাকে।
সাধারণ গুণাবলীঃ
- আকন্দ গাছের টাটকা শিকড় দ্ধারা দাঁত মাজলে দাঁত শক্ত ও মজবুত হয়। আকন্দ গাছের আঠা তুলায় ভিজিয়ে দাঁতে ধারণ করলে দাঁতের ব্যথা সেরে যায়।
- অনেক সময় নবজাত শিশুর মাথা শরীরের তুলনায় মাথা অস্বাভাবিক বড় হয়ে থাকে, এইরূপ অবস্থায় আকন্দের তুলা দ্ধারা তৈরি বালিশে নবজাতক শিশুকে শোয়ালে পর্যায়ক্রমে মাথা স্বাভাবিক হয়ে আসবে।
- শরীরের কোন অংশে দাদ রোগ হলে আকন্দের আঠা আক্রান্ত স্থানে দিলে দাদ সেরে যায়।
- বুকে সর্দি-কাশ জমাট বেধে গেলে প্রথমে বুকে ঘি দ্ধারা মালিশ করে নিতে হবে, তার পর আকন্দ পাতা গরম করে বুকে সেঁক দিলে দ্রুত নিরাময় হয়।
- আকন্দ গাছের ১৪ টি ফুলের মাঝের অংশ এবং ২১ টি গোলমরিচ একত্রে বেটে সমানভাবে ২১টি বড়ি তৈরি করে নিতে হবে। প্রতিদিন সকালে নিয়মিত ১টি বড়ি করে খেলে শ্বাসকষ্ট ও হাঁপানি রোগে উপকার পাওয়া যায়।
আশাকরি আজকের এই আর্টিকেল থেকে আপনি কিছুটা হলে ও উপকৃত হয়েছেন। ব্লগগুলো নিয়মিত পড়লে চিকিৎসা বিষয়ক নতুন নতুন তথ্য জানতে পারবেন। ধন্যবাদ।
হাকীম মোঃ গাজীউর রহমান ফিরোজ
ডি ইউ এম এস (ঢাকা), কিউ,এইচ,সি,এ
ইউনানী ফিজিশিয়ান
মেবাইল নং ০১৭১৫-৪৯৮১০৬



