বেল গাছ আমাদের দেশে একটি অতি পরিচিত ভেষজ বৃক্ষ। গাছ ৮- ১০ মিটার পর্যন্ত উচু হয়।ফল গোলাকার শক্ত, খোসার ভিতরে ভাগ ভাগ থাকে। ফলে বীজের সংখ্যা থাকে অনেক। পাকা ফল মধুরস কিন্তু গুরুপাক, কাঁচা ফল বেল কোমল, স্নিগ্ধ, মলসংগ্রাহক। বেল আমাশয় নাশক। ঔষধে বেলের পাতা, ফল ও শিকড় ব্যবহার করা হয়।
সাধারণ গুণাগুণঃ
- বেলের শুঠকে ভেজে চুর্ণ করে ৫ মিঃগ্রাঃ করে প্রতিদিন ২/৩ বার পরিমাণমত দইয়ের সাথে মিশ্রন করে নিয়মিত কিছুদিন খেলে পুরাতন আমাশয়ে অত্যান্ত উপকার পাওয়া যায়।
- ৫ গ্রাম বেলশুঁঠ ( শুকনো কচিবেলের অংশ) রাতে ২০০ মিঃলিঃ পানিতে ভিজিয়ে রেখে , সকালবেলা খালি পেটে ঐ পানিটুকু খেলে ,হজমশক্তি বাড়ে, পরিপাকতন্ত্রের বিভিন্ন গোলযোগ এবং শরীরের জ্বালা-যন্ত্রণা দ্রুত নিরাময় হয়।
- ৩০-৪০ গ্রাম পাকা বেলের শাঁশ ১ গ্লাস পানিতে মিশিয়ে দৈনিক ২ বার খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য সেরে যায়। মস্তিষ্ক ও পাকস্থলীর দূর্ভলতায় অত্যন্ত উপকার পাওয়া যায়।
- ২-৩ গ্রাম বেলগাছের শিকড়ের ছাল চুর্ণ এবং তার অর্ধেক পরিমাণ জিরা একত্রে মিশ্রন করে গাওয়া ঘি অথবা মধুর সাথে মিশিয়ে দৈনিক ২ বার নিয়মিত কিছুদিন খেলে শুক্রতারল্যে সেরে শুক্র গাঢ় ও বৃদ্ধি পায়।
- ১৫-২০ মিঃলিঃ বেল পাতার নির্যাস ৬ ঘন্টা পর পর খেলে সর্দি ও জ্বরভাব সেরে যায়।
আশাকরি আজকের আর্টিকেল থেকে আপনি কিছুটা হলে ও উপকৃত হয়েছেন। ব্লগগুলো নিয়মিত পড়লে চিকিৎসা বিষয়ক নতুন নতুন তথ্য পাবেন। ধন্যবাদ।
হাকীম মোঃ গাজীউর রহমান ফিরোজ
ডি ইউ এম এস (ঢাকা), কিউ,এইচ,সি,এ
ইউনানী ফিজিশিয়ান
মেবাইল নং ০১৭১৫-৪৯৮১০৬



