কাকমাচী / মাকো / ফুটি বেগুন (Creat)

0


 কাকমাচী বর্ষজীবী গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ।  ১ থেকে ৩ ফুট উচ্চতার এ গাছটি পতিত জায়গায়, রাস্তার পাশে , ফসলের জমিতে অযত্নেই বেড়ে ওঠে। শরৎকাল থেকে গুচ্ছবদ্ধ ফুল ও ফল হতে থাকে। ফুল ছোট সাদা বর্ণের , মরিচ ফুলের মত হয়। ফল পাকলে গাছ মরে যায়। কাকমাচীর ফল, পাতা, ক্ষেত্র বিশেষে সমগ্র উদ্ভিদই ঔষধে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। কাকমাচীর পাতায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণ রাইবোফ্লাভিন, নিকোটনিক অ্যাসিড, সাইট্রিক অ্যাসিড, ভিটামিন- সি, প্রোটিন, বিটা কেরোটিন এবং বিভিন্ন স্টেরয়ডিয় গ্লাইকোসাইড। কাকমাচী লিভার জনিত রোগে, জন্ডিস রোগে, গ্রন্থি ফুলা, অর্শ, টিউমার,পুরাতন ক্ষত, চোখের রোগ এবং শোথ নাশক। কাকমাচীতে  রয়েছে প্রচুর পরিমাণ বিটা-কেরোটিন যা দৃষ্টিশক্তি ও চোখের সুরক্ষায় অত্যান্ত কার্যকরী। যারা কোষ্টকাঠিন্যতায় ভুগছেন , তাদের জন্য কাকমাচী প্রতিদিন অত্যান্ত উপকারী শাক।

সাধারণ গুণাগুণঃ
  • ৫০ মিঃলিঃ সমগ্র উদ্ভিদের রস গরম করে ২ চা-চামচ মধু মিশিয়ে নিয়মিত ১৫ থেকে ২০ দিন সকাল-সন্ধ্যায় খালি পেটে সেবন করলে , লিভার প্রদাহ, জিহ্বা প্রদাহ এবং পাকস্থলীর প্রদাহ দুর হয়ে স্বাভাভিক অবস্থায় ফিরে আসে।
  • ৬০ মিঃলিঃ সমগ্র উদ্ভিদের রস গরম করে ২ চা-চামচ মধু সহ একত্রে মিশিয়ে নিয়মিত ১০ থেকে ১৫ দিন , দৈনিক ৩ বার সেবন করলে ,  শোথ রোগে উপকার পাওয়া যায়।
  • ৬০ মিঃলিঃ টাটকা রস ও ২ চা-চামচ মধু একত্রে মিশিয়ে নিয়মিত ১৫ থেকে ১৮ দিন সকাল-সন্ধ্যায় খালি পেটে সেবন করলে জন্ডিস রোগ দুর হয়ে  স্বাভাভিক অবস্থায় ফিরে আসে।
  • কাকমাচী পাতা দিয়ে শাক খেলে প্লীহাবৃদ্ধি রোগ সেরে যায় এবং দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি পায়।
  • ১০ মিঃলিঃ টাটকা রস , নিয়মিত ৪০ থেকে ৪৫ দিন , দৈনিক ৩ বার সেবন করলে সোরিয়াসিস নামক চর্মরোগ সেরে যায়।
                                 
                                  আশাকরি আজকের  আর্টিকেল থেকে আপনি কিছুটা হলে ও উপকৃত হয়েছেন। ব্লগগুলো নিয়মিত পড়লে চিকিৎসা বিষয়ক নতুন নতুন তথ্য পাবেন। ধন্যবাদ।




















হাকীম মোঃ গাজীউর রহমান ফিরোজ
ডি,ইউ,এম,এস (ঢাকা)কিউ,এইচ,সি,এ
ইউনানী ফিজিশিয়ান
মেবাইল নং ০১৭১৫-৪৯৮১০৬

Post a Comment

0 Comments
Post a Comment (0)
To Top