বহুগুণে ভরা বহেড়া মানব দেহের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। বহেড়া গাছ ৬০ থেকে ১০০ ফুট উচু হয়। ছাল ০.৫ ইঞ্চি পুরু ও ধুসর বর্ণের হয়। পাতা ৩ থেকে ৮ ইঞ্চি লম্বা, অনেকটা ছােঠ বট পাতার মত এবং শীতকালে পাতা ঝড়ে পড়ে। ফল প্রায় ১ ইঞ্চি লম্বা ডিম্বাকৃতির গোলাকার। গাছের ছাল, ফল, বীজ ও তেল ঔষধে ব্যবহার করা হয়। ইউনানী ও আয়ুর্বেদ মতে বহেড়ায় গ্লকোসাইড, ট্যানিন, গ্যালিক অ্যাসিড, ইথাইল গ্যালেটের মত শক্তিশালী জৈব উপাদানে সমৃদ্ধ। বহেড়া সেবনে শরীরের বিভিন্ন অর্গানে যুক্ত হয়ে সকল প্রকার অন্তরীন বিশোধন করে থাকে। প্রতিদিন এক কাপ পরিমান বহেড়া ভিজানো পানি খালি পেটে সেবন করলে, দীর্ঘজীবী ও সুস্বাস্থ্যর অধিকারী হওয়া যায়। বহেড়ার শাঁস ইন্দ্রিয় শক্তি বর্দ্ধক, বীর্য বর্দ্ধক এবং শরীরের স্বাভাবিকতা ফিরে আনে। বহেড়ায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণ বিটা-কেরোটিন যা দৃষ্টিশক্তি ও চোখের সুরক্ষায় অত্যান্ত কার্যকরী।
সাধারণ গুণাগুণঃ
- ৫ মিঃগ্রাঃ বহেড়া চুর্ণ ও ২০ মিঃলিঃ ভৃংরাজের রস একত্রে মিশিয়ে নিয়মিত ২০ থেকে ২৫ দিন সকালে খালি পেটে সেবন করলে দৃষ্টি শক্তি বৃদ্ধি পায় এবং চোখে ছানি পড়ায় উপককার পাওয়া যায়।
- ৫ মিঃগ্রাঃ বহেড়া চুর্ণ ও ১০০ মিঃলিঃ গরম একত্রে মিশিয়ে নিয়মিত ১০ থেকে ১৫ দিন সকালে ও রাতে আহারের পর পর সেবন করলে , পাকস্থলীর দর্বলতা, হজমশক্তি বৃদ্ধি ও ক্ষুধামান্দায় উপকার পাওয়া যায়।
- ৫ মিঃগ্রাঃ বহেড়া চুর্ণ ও পরিমাণমত মধু একত্রে মিশিয়ে নিয়মিত ৫০ থেকে ৫৫ দিন সকালে ও দুপুরে এবং রাতে আহারের পর পর সেবন করলে , মস্তিষ্কের দুর্বলতা ও মাথাব্যথায় উপকার পাওয়া যায়।
- , বহেড়ার তেল , আক্রান্ত স্থানে নিয়মিত ২ মাস লাগালে শ্বেতী রোগ নিরাময় হয় এবং গায়ের ত্বক স্বাভাবিক হয়।
আশাকরি আজকের এই আর্টিকেল থেকে আপনি কিছুটা হলে ও উপকৃত হয়েছেন। ব্লগগুলো নিয়মিত পড়লে চিকিৎসা বিষয়ক নতুন নতুন তথ্য পাবেন ইনশাল্লাহ। ধন্যবাদ।
হাকীম মোঃ গাজীউর রহমান ফিরোজ
ডি ইউ এম এস (ঢাকা), কিউ,এইচ,সি,এ
ইউনানী ফিজিশিয়ান
মেবাইল নং ০১৭১৫-৪৯৮১০৬



