হরীতকী বহুল পরিচিত একটি ভেষজ উদ্ভিদ। আমলকী ও বহেড়ার সঙ্গে হরিতকী ভেজানো পানি শত রোগের আশ্চর্য মহৌষধ। গাছ ৭০ থেকে ৮০ ফুট পর্যন্ত উচু হয়। ফল ১ থেকে ১.৫ ইঞ্চি লম্বা হয়ে থাকে। হরীতকী কাচা অবস্থায় সবুজ ও শুকানো অবস্থায় গাঢ় বাদামী বর্ণের এবং উন্নত শিরা বিশিষ্ট থাকে। হরীতকীতে হাইপোগ্লাইসেমিক থাকায় রক্তে সোগারের মাত্রা ঠিক রাখে। এই ফলে গ্লোকোজের অতিরিক্ত উৎপাদন বাধাগ্রস্থ করে থাকে বলে ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে। লিভার, পাকস্থলী, মস্তিষ্ক এবং যৌন শক্তি বৃদ্ধি করে। হরীতকীতে বিটা সাইটোস্টেবল, ট্যানিন, ফ্রক্টোজ, অ্যানথ্রাকুইনোন, এবং অ্যামাইনো অ্যাসিড থাকার ফলে শরীরের জৈব ক্রিয়ায় সহায়তা করে। হরীতকী সেবনে শরীরের বিভিন্ন অর্গানে যুক্ত হয়ে সকল প্রকার অন্তরীন বিশোধন করে থাকে। হরীতকী দেহের রক্ত পরিস্কার এবং শক্তি বৃদ্ধি করে।
সাধারণ গুণাগুণঃ
- ৫ মিঃগ্রাঃ হরীতকী চূর্ণ , ১০০ মিঃলিঃ গরম পানি এবং ১ চা-চামছ মধু একত্রে মিশিয়ে রাতে শোয়ার পূর্বে নিয়মিত কিছুদিন সেবন করলে কোষ্ঠকাঠিণ্য সেরে গিয়ে স্বাভাবিক মল ত্যাগ হবে।
- ৫ মিঃগ্রাঃ হরীতকী চূর্ণ , পরিমাণমত বিট লবন একত্রে মিশিয়ে আহারের পর পর দৈনিক ৩ বার নিয়মিত কিছুদিন সেবন করলে পেটফাঁপায় ও হজমশক্তি বৃদ্ধিতে উপকার পাওয়া যায়।
- ৫ মিঃগ্রাঃ হরীতকী চূর্ণ , ৩০ মিঃলিঃ গুলঞ্চের রস একত্রে মিশিয়ে দৈনিক ৪ বার নিয়মিত কিছুদিন সেবন করলে শোথ রোগে উপকার পাওয়া যায়।
- ৫ মিঃগ্রাঃ হরীতকী চূর্ণ , ১০০ মিঃলিঃ গরম পানিতে মিশিয়ে দৈনিক ৪ বার নিয়মিত কিছুদিন সেবন করলে হিক্কা বা হেঁচকি ওঠা সেরে যায়।
হাকীম মোঃ গাজীউর রহমান ফিরোজ
ডি ইউ এম এস (ঢাকা), কিউ,এইচ,সি,এ
ইউনানী ফিজিশিয়ান
মেবাইল নং ০১৭১৫-৪৯৮১০৬



