বকুল ফুলের গাছ ৪০ থেকে ৫০ ফুট পর্যন্ত উচু হয়। গাছের ছাল গাঢ় ধুসর বর্ণের এবং পাতা জামপাতার মত , আকারে ছোট ও গাঢ় সবুজ বর্ণের। ফুল সাদা বর্ণের ও সুগন্ধযুক্ত। ফুল শুকিয়ে যাওয়ার পর ও সুগ্রাণ থাকে। গ্রীষ্মকালে ফুল ও বর্ষার শেষে ফল হয়। ছোট বড়ইর মত ফল একটি বীজ বিশিষ্ট, পিচ্ছিল ও মিষ্টি স্বাদযুক্ত। বকুল ফুল হৃদপিন্ডের শক্তিবর্দ্ধক, প্রশান্ত কারক ও আনন্দবর্দ্ধক। বকুল ছালের ক্বাথ বীর্য গাঢ় কারক। বকুল ফুলের গাছের বাকল, ছাল, ফুল, ফল ও বীজ ঔষধে ব্যবহৃত হয়। এতে ট্যানিন,মোম, স্যাপনিন ও স্যুগার সমৃদ্ধ রয়েছে। যাহা মানবদেহের জন্য বেশি কার্যকর । বকুল মুত্রবর্ধক ও শুক্রমেহ এবং শ্বেতপ্রদরে কার্যকরী।
সাধারণ গুণাগুণঃ
- ৩ গ্রাম পরিমাণ বকুল ফুল ও সমপরিমাণ গোলাপ ফুল একত্রে ২০০ মিঃলিঃ পানিতে জ্বাল দিয়ে, ১০০ মিঃলিঃ হলে নামিয়ে প্রয়োজনমতো মধু মিশিয়ে , নিয়মিত ১৫ দিন দৈনিক ২ বার করে সেবন করলে , হৃদযন্ত্রের দূর্বলতায় উপকার পাওয়া যায়।
- ১০ গ্রাম পরিমাণ বকুল ছাল ও সমপরিমাণ ডালিম ছাল চূর্ণ একত্রে মিশিয়ে ২০০ মিঃলিঃ পানিতে জ্বাল দিয়ে, ১০০ মিঃলিঃ হলে নামিয়ে প্রয়োজনমতো মধু মিশিয়ে , নিয়মিত ২৫ থেকে ৩০ দিন দৈনিক ২ বার করে সেবন করলে , শুক্রমেহ ও শ্বেতপ্রদরে উপকার পাওয়া যায়।
- ৫/৬ টি বকুল ফলের শ্বাঁস নিয়মিত কিছুদিন দৈনিক ২/৩ বার করে চিবিয়ে খেলে পুরাতন আমাশয়ে উপকার পাওয়া যায়।
- কাচা বকুল ফুল ৩/৪ করে টা নিয়মিত কিছুদিন দৈনিক ২/৩ বার করে চিবিয়ে খেলে দাঁতের গোড়া শক্ত হয় ও দাঁত নড়া বন্ধ হয়।
হাকীম মোঃ গাজীউর রহমান ফিরোজ
ডি,ইউ,এম,এস (ঢাকা)কিউ,এইচ,সি,এ
ইউনানী ফিজিশিয়ান
মেবাইল নং ০১৭১৫-৪৯৮১০৬

.jpg)

