আতা ফল ( Custard Apple )

0


আতা ফল এমন একটি ফল যা শরীরকে শীতল করার জন্য পরিচিত। স্বাস্থের জন্য এটি খুবই উপকারী ফল। আতা ফলের গাছ বহু বর্ষজীবি শাখা-প্রশাখা বিশিষ্ট মাঝারী ধরনের ভেষজ উদ্ভিদ। হার্ডের রোগীদের জন্য আতাফল নিরাময়ের কাজ করে। প্রচুর পরিমানে আয়রন থাকার কারনে শরীরের ক্লান্তিভাব দুর করে এবং প্রজনন ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এই ফলে ম্যাগনেসিয়ামের মত উপাদান থাকায়, শরীরে পানির ভারসাম্য বজায় রাখে এবং বিভিন্ন জয়েন্ট থেকে এসিড সরিয়ে দিতে সহায়তা করে। তা ছারা ও আতা ফলে রয়েছে রিমেরিন, নরকোডিন, করিডিন, গ্লাইসিন, রেটিকিউলিন এর মত শক্তিশালী উপাদান। যাহা শরীরবৃত্তিয় সমস্যা সমাধানে ভুমিকা রাখে। গর্ভবতী মহিলারা গর্ভাবস্থায় আতাফল খাওয়ার মাধ্যমে, সামগ্রিক পুষ্টি উপাদানগুলি ভ্রণের ত্বক, টেন্ডার এবং রক্তনালীগুলোর বিকাশে সহায়তা করে। গর্ভবতী মহিলাদের কিডনিগুলোকে সর্বোত্তম অবস্থায় রেখে শক্তিশালী ইমিউন সিস্টেম তৈরি করতে সহায়তা করে। গর্ভপাতের ঝুঁকি হ্রাস করে এবং অকাল প্রসবের সম্ভানা ও হ্রাস করে। বাকল, পাতা, ফল ও বীজ  ঔষধে ব্যবহৃত হয়।

 সাধারণ গুণাগুণঃ

  • ২ গ্রাম শুস্ক ছাল চূর্ণ ও সমপরিমাণ বেল শুঁঠ চূর্ণ একত্রে মিশিয়ে নিয়মিত দৈনিক ৩ বার করে ১০/১২ দিন সেবন করলে, আমাশয় দ্রুত নিরাময় হয়।
  • পরিমাণমত গাছের পাতা ভালভাবে পিষে ফোঁড়ায় প্রলেব দিলে ফোঁড়া পেকে যায়।
  • ৫০ মিঃলিঃ পরিমাণ পাকা ফলের রস ১০০ মিঃলিঃ দুধের সাথে মিশিয়ে মিশিয়ে নিয়মিত দৈনিক ৩ বার করে ১৫/২০ দিন সেবন করলে,শারীরিক দুর্ভলতা ও অপুষ্টিজনিত কৃশতা দুর হয়।
  • ৬০ মিঃলিঃ পরিমাণ পাকা ফলের রস ১০০ মিঃলিঃ আরক গোলাপের সাথে মিশিয়ে মিশিয়ে নিয়মিত দৈনিক ২ বার করে ৭ দিন সেবন করলে,শারীরের জ্বলাপোড়া দুর হয়।
  • আতা ফল নিয়মিত কিছুদিন  খেলে খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে খুবই উপকারী।
  • যারা রক্ত স্বল্পতায় আছেন, নিয়মিত কিছুদিন আতা ফল খাওয়ার মাধ্যমে রক্তে লোহিত রক্ত কণিকা বৃদ্ধির পায়।
                 আশাকরি আজকের  এই আর্টিকেল থেকে আপনি কিছুটা হলে ও উপকৃত হয়েছেন। ব্লগগুলো নিয়মিত পড়লে চিকিৎসা বিষয়ক নতুন নতুন তথ্য পাবেন ইনশাল্লাহ। ধন্যবাদ।


















হাকীম মোঃ গাজীউর রহমান ফিরোজ
ডি,ইউ,এম,এস (ঢাকা)কিউ,এইচ,সি,এ
ইউনানী ফিজিশিয়ান
মেবাইল নং ০১৭১৫-৪৯৮১০৬

Post a Comment

0 Comments
Post a Comment (0)
To Top