বননীল বর্ষজীবী বা বহুবর্ষজীবী প্রায় ৩ ফুট উচু বিশিষ্ট ক্ষুপ জাতীয় ভেষজ উদ্ভিদ। বননীল পতিত জমি বা রাস্তার ধারে আগাছার মত জন্মে। পাতা পক্ষল যৌগিক, তেতুঁল পাতার মত। কচি কান্ডের অগ্রভাগে ২ থেকে ৫ ইঞ্চি লম্বা পুষ্প দন্ডে গোলাপী বর্ণের ফুল ফুটে। ফাল্গুন ও চৈত্র মাসে গাছ মারা যায়। ফল মসুরীর ডালের মত ছোট। বননীল বলকারক, যৌনশক্তি বর্দ্ধক ও বীর্যস্তম্ভক এবং হৃদরোগ নাশক। মুত্রকারক, রক্ত পরিস্কার কারক এবং সর্দি ও কাশি নিবারক। অর্শরোগ ও রক্তদুষ্টিজনিত বিভিন্ন চর্মরোগে বিশেষভাবে কার্যকরী এই বননীল। পাতা, বীজ ও মুলে বিভিন্ন ধরনের গ্লাইকোসাইড, ফ্লাভেনোন দ্রব্য এবং স্ফটিকীয় উপাদান বিদ্যমান থাকে বিদায় ইহা খুবই কার্যকরী। পাতা, বীজ ও মুল ঔষধে ব্যবহৃত হয়।
সাধারণ গুণাগুণঃ
- ১০ গ্রাম পরিমাণ আধাচূর্ণ গাছ ২০০ মিঃলিঃ পানিতে জ্বাল করে ১০০ মিঃলিঃ হলে ছেকে নিয়ে নিয়মিত কয়েকদিন সেবন করলে মুত্রগ্রন্থির স্ফীতিতে উপকার পাওয়া যায়।
- ১০ গ্রাম পরিমাণ পাতা থেতু করে দৈনিক ২ বার করে নিয়মিত কিছুদিন সেবন করলে রক্ত অর্শে উপকার পাওয়া যায়।
- ১০-১৫ গ্রাম পরিমাণ মুল চুর্ণ পানি সহ দৈনিক ২ বার করে নিয়মিত কিছুদিন সেবন করলে চর্ম রোগে উপকার পাওয়া যায়।
- ৫-১০ গ্রাম পরিমাণ মুল চুর্ণ ৪-৫ টি গোলমরিচ সহ দৈনিক ২ বার করে নিয়মিত কিছুদিন সেবন করলে সর্দি-কাশিতে উপকার পাওয়া যায়।
হাকীম মোঃ গাজীউর রহমান ফিরোজ
ডি,ইউ,এম,এস (ঢাকা)কিউ,এইচ,সি,এ
ইউনানী ফিজিশিয়ান
মেবাইল নং ০১৭১৫-৪৯৮১০৬


