ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম বা (Irritable Bowel Syndrome/IBS);
এটি পরিপাকতন্ত্রের কার্যক্রমের বিরাট সমস্যা। এই রোগে মলত্যাগের অভ্যাসের পরিবর্তন হয়। কারো কারো পাতলা পায়খানা ডায়রিয়া হয়। আবার কারো কারো কোষ্টকাঠিন্য হয়ে থাকে। প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষায় অন্ত্রের কোন পরিবর্তন ও পরিলক্ষিত হয় না।
পেটের বিভিন্ন স্থানে হঠাৎ হঠাৎ ব্যথা হয়। মলের সাথে মিউকাস বা আম বা আঠালো বিজলার মত যেতে পারে। এ রোগে রোগীর শরীরের ওজন হ্রাস পায়। পেটের বাম দিকে চাপ দিলে রোগী ব্যাথা অনুভব করে। রোগীর পেটে প্রচুর গ্যাস হয়। কখনো কখনো পেট ফেঁপে ফুলে ওঠে।
চিকিৎসায় ভেষজ:
- পাথরকুচিঃ পাথরকুচি পাতার রস ১০-১৫ মি: লি: করে সকাল-সন্ধ্যায় খালি পেটে রোজ দ‘বার খাবে।
- বন ধনেঃ বন ধনেপাতার রস ২০-২৫ মি: লি; করে সকাল- দুপুর- সন্ধ্যায় প্রতিদিন তিন বার খালি পেটে খেতে হবে।
- থানকুনিঃ থানকুনিপাতা ২০-৩০ গ্রাম করে দৈনিক তিনবার খেতে হবে।
- কাঁচকলাঃ কাঁচকলা প্রতিদিন ১-২ টা করে খেলে আইবিএসে উপকার পাওয়া যায।
- পেঁপেঃ পেঁপে প্রতিদিন ১০০- ২০০ গ্রাম খেতে হয়।
- বেলঃ কচি বেল কেটে শুকিয়ে চুর্ন করে ৩-৬ গ্রাম পরিমাণ করে প্রতি ৬ ঘন্টা অন্তর অন্তর ঠান্ডা পানিতে মিশিয়ে খেতে হয়।
- কুড়চিঃ কুড়চির ছাল ৩০-৫০ গ্রাম ছয় কাপ পরিমাণ পানিতে সেদ্ধ করে , এক কাপ থাকতে নামিয়ে প্রতিদিন দ‘বার খেতে হয়।
- বহেড়াঃ আধা গ্রাম বহেড়া চুর্ন এক কাপ পানিতে মিশিয়ে প্রতিদিন সকাল- সন্ধ্যায় দ‘বার খেতে হয়।
- কালোজিরাঃ কালেজিরা চুর্ন ৫-১০ মিলিগ্রাম করে ভাতের সাথে প্রতিদিন দু‘বার খেতে হয়।
তৈরি ঔষধঃ
- সিরাপ আকারেঃ বেল/মারভেলাস/ডিসেন্ট কেয়ার ৪+৪+৪ চামচ করে তিনবার।
- ট্যাবলেটঃ হার্বাজিল/পেচিশ/পেচ ২+০+২ টা করে দু‘বার।
- ইন্দেমালী/মুন্দানিল ১+১+১+১ এক পানিতে মিশিয়ে খেতে হবে।
পরামর্শঃ
আইবিএসের রোগীরা রোগমুক্ত হওয়ার আগ পর্যন্ত কোন প্রকার শাকজাতীয় খাদ্য ও ঝাল, ভাজাপোড়া ও কোনো প্রকার দই, দুধ খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।
আশাকরি আজকের এই আর্টিকেল থেকে আপনি কিছুটা হলে ও উপকৃত হয়েছেন। ব্লগগুলো নিয়মিত পড়লে চিকিৎসা বিষয়ক নতুন নতুন তথ্য পাবেন ইনশাল্লাহ। ধন্যবাদ।
হাকীম মোঃ গাজীউর রহমান ফিরোজ
ডি ইউ এম এস (ঢাকা), কিউ,এইচ,সি,এ
ইউনানী ফিজিশিয়ান
মেবাইল নং ০১৭১৫-৪৯৮১০৬





ধন্যবাদ আপনাকে। আপনার নির্দেশনা মেনে আমি উপকৃত হয়েছি।
ReplyDeleteখুব ভাল উপকার পেয়েছি। ধন্যবাদ আপনাকে
ReplyDelete