হলুদ (Termaric)

0




হলুদে রয়েছে কোলেস্টেরল কমানোর ক্ষমতা। হলুদকে প্রাকৃতিক এন্টিবায়োটিক বলা হয়ে থাকে। হলুদ লিপিড লোয়ারিং ম্যাকানিজমের সব লেভেলে প্রক্রিয়া করে LDL (ক্ষতিকর) কোলেস্টেরল কমায় এবং  HDL ( উপকারী ) কোলেস্টেরল বাড়ায় ও টাইগ্লিসারিড কমিয়ে রাখে। কাঁচা হলুদের সক্রিয় উপাদান হল কারকিউমিন নামে একটি প্রাকৃতিক যৌগ, যার অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরী  দুটি   বৈশিষ্টই  আছে। যাহা বিভিন্ন ধরণের ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ থেকে খাদ্যনালীকে সুরক্ষিত রাখে। হলুদ ক্যানসার ও হৃদরোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা রাখে। কাঁচা হলুদ বাত ব্যথা, জয়েন্ট ব্যথা, অ্যালার্জি ও সংক্রমণের মতো প্রদাহ ভালো করে। হলুদে রয়েছে অ্যান্টি-ফাঙ্গাল ও অ্যান্টি-কার্সিনোজেনিক যা শরীরকে মজবুত রাখতে এবং কঠিন থেকে কঠিনতর রোগ ব্যাধিকে দুরে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। হলুদকে বলা হয় পাকৃতিক এন্টিবায়োটিক। কাঁচা হলুদ খেলে শরীরের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে, শরীরের বিষাক্ত পদার্থ দূর করে এবং মৌসুমী ঠান্ডা-জ্বর দুর করতে ভূমিকা রাখে।

সাাধারণ গুণাগুণঃ
  • আধুনিক প্রসাধুনিতে হলুদের ব্যবহার বহুল। কাঁচা হলুদ বাহ্যিক ব্যবহারে ত্বকের বর্ণ সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতে অতুলনীয় ভূমিকা রাখে।
  • জন্ডিস বা কামলা রোগে কাঁচা হলুদের রস ব্যবহার হয়।
  • কাঁচা হলুদের রস ১০-১৫ মিঃ লিঃ করে খালি পেটে নিয়মিত কিছুদিন খেলে লিভার ও পাকস্থলীর শক্তি বৃদ্ধি পায়।
  • কাঁচা হলুদের রস ১০ মিঃলিঃ ও এক গ্লাস দুধ একত্রে গরম করে খেলে সর্দিজ্বর নিরাময় হয়।
  • কাঁচা হলুদ ২০ গ্রাম, নিম পাতা ৫/৬ টা পরিষ্কারভাবে ধুয়ে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে কিছুদিন  নিয়মিত খেলে মূখের ব্রণ দুর হয়।
  • কাঁচা হলুদের সাথে পরিমাণমত নিমপাতা নিয়ে একত্রে বেটে পরিমাণমত সরিষার তেল সহ গোছলের আধা ঘন্টা পূর্বে সারা শরীরে মাখলে চুলকানী দুর হয়ে বর্ণ পরিষ্কার হবে।


                                              আশাকরি আজকের এই আর্টিকেল থেকে আপনি কিছুটা হলে ও উপকৃত হয়েছেন। ব্লগগুলো নিয়মিত পড়লে চিকিৎসা বিষয়ক নতুন নতুন তথ্য জানতে পারবেন। ধন্যবাদ।






















 হাকীম মোঃ গাজীউর রহমান,ফিরোজ
ডি,ইউ,এম,এস,(ঢাকা), কিউ,এইচ,সি,এ
ইউনানী ফিজিশিয়ান
মেবাইল নং ০১৭১৫-৪৯৮১০৬







Post a Comment

0 Comments
Post a Comment (0)
To Top