গোলমরিচঃ
গোলমরিচ গাছ মোটা লতানো এবং গিটায় শিকড় হয়। গাছের পাতা ৫ টি শিরা বিশিষ্ট ৫ থেকে ৭ ইঞ্চি লম্বা ডিম্বাকৃতির হয়ে থাকে। একই লতায় ২ প্রকার ফুল দেখা যায়। বায়ুর মাধ্যমে এর পরাগায়ন হয়। ফল গোলাকার পেঁপে বীজের মত। ফল পাকা অবস্থায় লাল এবং শুস্ক অবস্থায় কাল বর্ণ ধারন করে। গ্রীষ্ম ও বর্ষাকালে ফুল ও ফল হয়। গোলমরিচ পাকস্থলী , যকৃতও হ্নদপিন্ডের স্পন্দন বর্দ্ধক ও শক্তিবর্দ্ধক এবং পেট ফাপা নিবারক ও হজমকারক। ব্যথা, দাঁত ব্যথা, বাতের ব্যথা এবং জ্বর ও অর্শ -রক্ত অর্শ নাশক। গোলমরিচ ফুলের রস চিনির সাথে মিশিয়ে সেবন করলে পিপাসা , শরীর ব্যথা ও অলসতা দূর করে এবং শুক্রমেহ নাশ করে। গোলমরিচে বিভিন্ন অ্যালকালয়েড , রজন, উদ্বায়ী তেল ও বিভিন্ন টার্পিন দ্রব্য বিদ্যমান রয়েছে। গোলমরিচের ফল, ফুল ও বীজ ঔষধী হিসাবে ব্যবহার হয়ে থাকে।
সাধারণ গুণগুণঃ
- ৫ টা গোলমরিচ ও ১০ টা নিম পাতা সকালে খালী পেটে নিয়মিত কিছুদিন খেলে ডায়াবেটিস রোগীদের ভাল উপকার হয়।
- গোলমরিচ ও পেয়াজ একত্রে বেটে মাথায় দিলে চুলপড়া বন্ধ হয় এবং মাথায় নতুন চুল বৃদ্ধি পায়।
- গোলমরিচ চূর্ণ পানির সাথে মিশিয়ে কিছুদিন খেলে আমাশয় রোগ নিরাময় হয়।
- গোলমরিচ বেটে ঘি ও মধুর সাথে একত্রে মিশিয়ে খেলে দীর্ঘ্য মেয়াদি কাশ প্রশমিত হয়।
- বিষাক্ত কীটপতঙ্গ কামড় দিলে , আক্রান্ত স্থানে ভিনেগারের সাথে গোলমরিচ বেটে প্রলেব দিলে ব্যথা-বেদনা প্রশমিত হয়।
- বাত বেদনা ও প্যারালাইসিস রোগে গোলমরিচ ব্যবহারে বেস উপকার সাধন করে থাকে।
- গোলমরিচ ও পাথরকুচি পাতা একত্রে বেটে মধুর সাথে মিশিয়ে সকাল সন্ধা নিয়মিত ১৫/২০ দিন খেলে বৃক্ক ও পিত্ত পাথর চূর্ণ করে মুত্রের সাহায্যে শরীর থেকে বের করে দেয়।
আশাকরি আজকের এই আর্টিকেল থেকে আপনি কিছুটা হলে ও উপকৃত হয়েছেন। ব্লগগুলো নিয়মিত পড়লে চিকিৎসা বিষয়ক নতুন নতুন তথ্য পাবেন ইনশাল্লাহ। ধন্যবাদ।
হাকীম মোঃ গাজীউর রহমান ফিরোজ
ডি,ইউ,এম,এস,(ঢাকা), কিউ,এইচ,সি,এ
ইউনানী ফিজিশিয়ান
মেবাইল নং ০১৭১৫-৪৯৮১০৬


