বট গাছ একটি বৃহত আকারের বহু শাখা-প্রশাখা বিশিষ্ট উদ্ভিদ। বট গাছের শাখা-প্রশাখা হতে লম্বা আকৃতির ঝুরি নেমে ঝুলে থাকে। আঞ্চলিক ভাষায় একে বটের ঝুরি বলা হয়ে থাকে। পাকা অবস্থায় ফলের বর্ণ লাল হয়। পাখির বিষ্টার মাধ্যমে বটের বীজ বিভিন্ন স্থানে ছড়ায়, যার ফলে ঐ ছড়ানো বীজ থেকেই চাড়া গজায়। বাকল, ঝুরি, পাতা, ফল ও বটের আঠা বা কষ ঔষধে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
সাধারণ গুণাগুণঃ
- ৫ গ্রাম আধা চুর্ণ বটের বাকল ও সমপরিমাণ ডালিমের বাকল একত্রে মিশিয়ে ২৫০ মিঃলিঃ পানিতে সিদ্ধ করে অর্ধেক হলে নামিয়ে নিয়মিত ১ মাস , সকাল-সন্ধ্যায় খালি পেটে সেবন করলে শ্বেতপ্রদর নিরাময় হয়।
- ২৫ ফোঁটা বটের আঠা, ৩ মিঃগ্রাঃ পরিমাণ অশ্বগন্ধা চুর্ণের সাথে মিশিয়ে ১ গ্লাস পরিমাণ দুধ সহ নিয়মিত ১ মাস , দৈনিক ২ বার করে সেবন করলে শুক্রতারল্য নিরাময় হয়।
- ৩ গ্রাম পরিমাণ বটের ঝুরি, সমপরিমাণ বেলশুঁঠ চুর্ণ একত্রে মিশিয়ে নিয়মিত ১০ দিন, দৈনিক ২ বার করে সেবন করলে আমাশয় নিরাময় হয়।
- পরিমাণ মত বটের অষ্কুর ও সমপরিমান মসুরডাল একত্রে পিষে নিয়মিত কিছুদিন মুখে মাখলে, মেচতা দুর হয়ে ত্বকের বর্ণে স্বাভাবিকতা ফিরে আসে।
- ৭/৮ ফোঁটা বটের আঠা ও পরিমাণ মত মিশ্রি চুর্ণ একত্র করে নিয়মিত ২১ দিন সেবন করলে, শুক্রগাঢ় হয়, শুক্রানুর সংখ্যা বৃদ্ধি পায় এবং যৌন শক্তি বৃদ্ধি পায়।
আশাকরি আজকের আর্টিকেল থেকে আপনি কিছুটা হলে ও উপকৃত হয়েছেন। ব্লগগুলো নিয়মিত পড়লে চিকিৎসা বিষয়ক নতুন নতুন তথ্য পাবেন। ধন্যবাদ।
হাকীম মোঃ গাজীউর রহমান ফিরোজ
ডি ইউ এম এস (ঢাকা), কিউ,এইচ,সি,এ
ইউনানী ফিজিশিয়ান
মেবাইল নং ০১৭১৫-৪৯৮১০৬




বট গাছের এত গুণ?
ReplyDelete