করলা তিক্ত স্বাদযুক্ত একটি পরিচিত ও সমাদৃত সবজি। করলায় যে পরিমাণ পুষ্টি উপাদান আছে, তা শরীরের জন্য খুবই উপকারী। করলায় , পালং শাকের চেয়ে দ্বিগুণ পরিমাণে ক্যালসিয়াম এবং কলার চেয়ে দ্বিগুণ পরিমাণে পটাশিয়াম রয়েছে। পটাশিয়াম শরীরের রক্তের চাপ স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে এবং ক্যালশিয়াম হাড় মজবুত ও হাড় সুস্থ্য রাখতে সাহায্য করে। চর্মরোগে করলার রস অত্যান্ত উপকারী। যারা ডায়াবেটিস রোগে আছেন, তাদের জন্য করলা অত্যান্ত উপকারী। করলা রক্তের ইন্সুলীন রেজিস্টেন্স বাড়িয়ে দেয় যার ফলে গ্লোকোজ লেভেল নিয়ন্ত্রন রাখতে সাহায্য করে। করলায় ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় ত্বক এবং চুলের সুরক্ষায় কার্যকরী ভূমিকা রাখে। করলায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণ বিটা-কেরোটিন যা দৃষ্টিশক্তি ও চোখের সুরক্ষায় অত্যান্ত কার্যকরী। যারা কোষ্টকাঠিন্যতায় ভুগছেন , তাদের জন্য করলা প্রতিদিন অত্যান্ত উপকারী সবজি।
সাধারণ গুণাগুণঃ
- ৫০ মিঃ গ্রাঃ শুস্ক করলার চুর্ণ , সমপরিমাণ চিরতা চুর্ণ একত্রে মিশিয়ে একাদারে ৭ দিন দৈনিক ২ বার করে নিয়মিত সেবন করলে সকল প্রকার ক্রিমিনাশকে কার্যকরী।
- ৩০ মিঃলিঃ করলার রস ও সমপরিমাণ গুলঞ্চের রস একত্রে মিশিয়ে প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যায় খালি পেটে নিয়মিত ২ মাস সেবন করলে সকল প্রকার চর্মরোগ দ্রুত নিরাময় হয়।
- ৫০ মিঃলিঃ করলার রস , নিয়মিত প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যা খালি পেটে সেবন করলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকবে, শারীরিক দুর্ভলতা ও লিভারের দুর্ভলতা দুর হয়ে শরীরে সজিবতা ফিরে আসবে।
- করলার জুস শ্রেষ্ট পানীয়।
আশাকরি আজকের এই আর্টিকেল থেকে আপনি কিছুটা হলে ও উপকৃত হয়েছেন। ব্লগগুলো নিয়মিত পড়লে চিকিৎসা বিষয়ক নতুন নতুন তথ্য পাবেন ইনশাল্লাহ। ধন্যবাদ।



