ভূই আমলা ছোট বর্ষজীবী ১ থেকে ১.৫ ফুট উচু বীরুৎ জাতীয় উদ্ভিদ। ফল এবং পাতা আমলকির মত, তবে আকারে ছোট। বর্ষার শেষ ভাগে ফুল ও ফল হয়। ভূই আমলা হালকা টক স্বাদযুক্ত। ক্ষেত-খামার ও বিভিন্ন পতীত জায়গায় আগাছা হিসেবে জন্মায়। বাংলাদেশের প্রায় অঞ্চলেই এই ভূই আমলা পাওয়া যায়। ভূই আমলা প্রতিবন্ধকতা অপসারক ও মূত্রকারক। পিত্তজনিত রোগ ও জন্ডিস রোগে ভূই আমলা খুবই কার্যকরী। ক্ষত রোগে এর কষ ব্যবহার করা হয় । শ্বেতপ্রদর, মেহরোগ, শোথ, গণোরিয়া, মুত্র ও জননযন্ত্রের রোগে খুবই কার্যকরী। ভূই আমলার পাতায় বিভিন্ন তিক্ত রাসায়নিক দ্রব্য এবং ফ্ল্যাভোনয়েড বিদ্যমান থাকায় ইহা মানব দেহের জন্য খুবই উপকারী। ভূই আমলার সমগ্র গাছই ঔষধে ব্যাবহার করা হয়।
সাধারণ গুণাগুণঃ
- ১০ মিঃলিঃ কাঁচা ভূই আমলার রস নিয়মিত কিছুদিন সকালে ও সন্ধ্যায় খালি পেটে সেবন করলে পিত্ত দোষ ও মেহরোগ দূর করে দেহের পুষ্টি সাধন ও সাধারণ দূর্ভলতায় উপকার পাওয়া যায়।
- ১৫ মিঃলিঃ কাঁচা ভূই আমলার রস , ২ চা চামচ মধুর সাথে একত্রে মিশিয়ে নিয়িমিত কিছুদিন সকালে ও সন্ধ্যায় খালি পেটে সেবন করলে জন্ডিস দ্রুত নিরাময় হয়।
- ১০ মিঃ গ্রাঃ শুস্ক চুর্ণ ২৫০ মিঃ লিঃ ডাবের পানির সাথে মিশিয়ে নিয়মিত কিছুদিন সকালে ও সন্ধ্যায় খালি পেটে সেবন করলে গণোরিয়া ও মুত্রথলির প্রদাহ রোগ নিরাময় হয়।
- ৫ মিঃলিঃ কাঁচা ভূই আমলার রস ও ৫ মিঃলিঃ ভৃঙ্গরাজ পাতার রসের সাথে একত্রে মিশিয়ে নিয়িমিত কিছুদিন সকালে ও সন্ধ্যায় খালি পেটে সেবন করলে প্লীহা বৃদ্ধি রোগে উপকার পাওয়া যায়।
আশাকরি আজকের আর্টিকেল থেকে আপনি কিছুটা হলে ও উপকৃত হয়েছেন। ব্লগগুলো নিয়মিত পড়লে চিকিৎসা বিষয়ক নতুন নতুন তথ্য পাবেন। ধন্যবাদ।



