তালমাখনা (Star Thorn) ৪১তম পরিবেশনা,

0

 


তালমাখনা এক প্রকার লতাগুল্ম জাতীয় বর্ষজীিবী গাছের বীজ । বর্ষাকালে নতুন গাছ জন্মায়, ফুল উজ্জ্বল বেগুনি লাল ও সাদা বর্ণের হয়ে থাকে। গাছ ৩ থেকে ৩.৫ ফুট উচু হয়ে থাকে। বীজ কোষ ছোট এবং প্রত্যেক কোষে ৫ থেকে ৮ টি বীজ থাকে। শীতকালে ফুল ও ফল হয়। বীজগুলো পানিতে ভিজালে চট চটে কিংবা লাটার মত হয়। তালমাখনা শুক্রবর্দ্ধক, লিউকোরিয়া, যৌনদুর্বলতা ও স্নায়ুবিক দুর্বলতায় বিশেষ কার্যকরী। তালমাখনায় অ্যালকালয়েড, স্টিগমাস্টেরল, লুপিয়ল,উদ্বায়ী তেল এবং আরো মূল্যবান উপাদান বিদ্যমান থাকায় এটি শরীরের জন্য খুব উপকারী।  তালমাখনা বীজ, পাতা ও শিকড় ঔষধে ব্যবহার করা হয়।

সাধারণ গুণাগুণঃ
  • ৩ মিঃ গ্রাঃ তালমাখনা ও ১ মিঃগ্রাঃ পরিমাণ শতমূলী চুর্ণ , এক গ্লাস দুধের সাথে একত্রে মিশিয়ে নিয়মিত কিছুদিন সকালে খালি পেটে এবং রাতে শয়নকালে সেবন করলে দেহের পুষ্টি সাধন ও সাধারণ দূর্ভলতায় উপকার পাওয়া যায়।
  • ৩ মিঃ গ্রাঃ তালমাখনা ও ১ মিঃগ্রাঃ পরিমাণ তেতুঁল বীজ  চুর্ণ , এক গ্লাস দুধের সাথে একত্রে মিশিয়ে নিয়মিত ১০ থেকে ১৫ দিন সকাল-সন্ধ্যায় খালি পেটে সেবন করলে শুক্রমেহ ও লিউকোরিয়া দ্রুত নিরাময় হয়।
  • ৩ মিঃ গ্রাঃ তালমাখনা ও ১ মিঃগ্রাঃ অশ্বগন্ধা চুর্ণ , ৩ চা চামচ মধুর সাথে একত্রে মিশিয়ে নিয়মিত ২০ থেকে ২৫ দিন সকাল ও রাতের খাওয়ার পর পর সেবন করলে যৌনশক্তি বৃদ্ধি পায় এবং স্নায়ুবিক দূর্ভলতা সেরে ওঠে।
  • ৫ মিঃগ্রাঃ তালমাখনা , পরিমাণমত মিশ্রিসহ ১ গ্লাস দুধের সাথে একত্রে  মিশিয়ে নিয়মিত কিছুদিন  রাতে শয়নকালে সেবন করলে শুক্রানোর পরিমাণ ও সংখ্যা বৃদ্ধি পায় এবং অসময় বীর্যপাত রোধ করে।
  • পরিমাণমত তালমাখনা গাছের পাতা বেটে আক্রান্ত স্থানে প্রলেব দিলে কটি বাত ও সন্ধি বাতের প্রতিবন্ধকতা দূর হয়।

                                        আশাকরি আজকের  আর্টিকেল থেকে আপনি কিছুটা হলে ও উপকৃত হয়েছেন। ব্লগগুলো নিয়মিত পড়লে চিকিৎসা বিষয়ক নতুন নতুন তথ্য পাবেন। ধন্যবাদ।




















হাকীম মোঃ গাজীউর রহমান ফিরোজ
ডি ইউ এম এস (ঢাকা), কিউ,এইচ,সি,এ
ইউনানী ফিজিশিয়ান
মেবাইল নং ০১৭১৫-৪৯৮১০৬

Post a Comment

0 Comments
Post a Comment (0)
To Top