স্বর্ণলতা এক প্রকার পাতাবিহীন পরজীবী নরম সোনালী বা হলুদ মিশ্রিত লাল বর্ণের সরু লতা। অন্য গাছের উপর হয় বলে একে পরগাছা বলা হয়। মাটির সাথে কোন সংস্পর্শ নেই বলে একে আকাশবল্লী ও বলা হয়। ছোট বড় বিভিন্ন গাছে জোঁকের মত বসে থাকে এবং এর শাখা-প্রশাখা বিস্তৃত। স্বর্ণলতা গাছের মূল দেখা যায় না এবং পাতা হয় না বলে আশ্রয়দাতা গাছের গায়ে নিজের অঙ্গ প্রবেশ করিয়ে খাদ্য সংগ্রহ করে থাকে।স্বর্ণলতা বাংলাদেশের প্রায় সর্বত্রে পাওয়া যায়।
সাধারণ গুণাগুণঃ
- ৫ মিঃগ্রাঃ শুকনো স্বর্ণলতা চুর্ণ ও ২ মিঃগ্রাঃ জৈন চুর্ণ এবং পরিমাণমত বিট লবন একত্রে মিশিয়ে দৈনিক ২ বার সকালে ও রাতে খাওয়ার পর নিয়মিত ১৫ দিন সেবন করলে পরিপাকশক্তি বৃদ্ধি পায় ও হজমশক্তি বৃদ্ধি পায় এবং পেটফাঁপায় উপকার পাওয়া যায়।
- ৫ মিঃগ্রাঃ শুকনো স্বর্ণলতা চুর্ণ ও ৫ মিঃগ্রাঃ বেলশুঁঠ চুর্ণ একত্রে মিশিয়ে দৈনিক ২ বার সকালে ও রাতে খাওয়ার পর নিয়মিত ১০ দিন সেবন করলে আমাশয় ও পাতলা পায়খানায় উপকার পাওয়া যায়।
- ৩০ মিঃলিঃ কাঁচা স্বর্ণলতার রস ও ২ টা গোলমরিচ চুর্ণ এবং পরিমাণমত মিশ্রী একত্রে মিশিয়ে দৈনিক ২ বার সকালে ও সন্ধ্যায় খালি পেটে নিয়মিত ১০/১৫ দিন সেবন করলে জন্ডিসে উপকার হয়।
- ২০ মিঃলিঃ কাঁচা স্বর্ণলতার রস ও ২০ মিঃলিঃ রাস্নার রস একত্রে মিশিয়ে দৈনিক ২ বার সকালে ও রাতে খায়ার পর নিয়মিত ২০/২৫ দিন সেবন করলে গেটেবাত ও কটিশুল বাত সেরে যায়।
আশাকরি আজকের আর্টিকেল থেকে আপনি কিছুটা হলে ও উপকৃত হয়েছেন। ব্লগগুলো নিয়মিত পড়লে চিকিৎসা বিষয়ক নতুন নতুন তথ্য পাবেন। ধন্যবাদ।
হাকীম মোঃ গাজীউর রহমান ফিরোজ
ডি ইউ এম এস (ঢাকা), কিউ,এইচ,সি,এ
ইউনানী ফিজিশিয়ান
মেবাইল নং ০১৭১৫-৪৯৮১০৬

.jpg)

