আমলকী (Emblic Myrobalan)

0




 আমলকী বাঙ্গালীর অত্যন্ত প্রিয়  এবং সুপরিচিত ত্রিফলার অন্যতম একটি ফল। আমলকী গাছ মাঝারী ধরনের ২০ থেকে ২৫ ফুট পর্যন্ত উচু হয়ে থাকে এবং কাঠ শক্ত ও লাল বর্ণের হয়। এর শাখা-প্রশাখা স্বল্প এবং গাটযুক্ত। আমলকী গাছের পাতাগুলো, অনেকটা তেঁতুল পাতার মত ছোট ছোট লম্বাকৃতির এবং শীতকালে ঝড়ে পড়ে যায়। ফল গোলাকার, গায়ে খাজকাটা, মাংসল, রসাল, ও আশযুক্ত। শুস্ক আমলকী অনেকটা কালো বর্ণের থাকে। ফলের মধ্যে তিনটি বীজ কোষে ৬ টি বীজ থাকে বসন্তকালে  ফুল এবং শীতকালে ফল হয়। আমলকীর ছাল, মূল, ও ফল ঔষধে ব্যবহার করা হয়। আমলকীতে থাকা এ্যমিনো অ্যসিড এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট  হৃদপিন্ডের কার্যকারীতা বাড়ায়। নিয়মিত আমলকীর রস খেলে কোলেষ্টেরল নিয়ন্ত্রণে থাকে।  হাপানী, ও ডায়াবেটিস কমাতে আমলকীি বেশ উপকারী। আমলকীতে ভিটামিন সি ছাড়া ও রয়েছে আয়রন, ফসফরাস, ক্যালসিয়াম।

সাধারণ গুণাগুণঃ

  • ৫ মিঃগ্রাঃ শুকনো আমলকী চুর্ণ  ১০০ মিঃ লিঃ পানিতে ১ ঘন্টা থেকে  ১.৫ ঘন্ট   ভিজিয়ে রেখে   ছেকে নিয়ে  দৈনিক ৩ বার  নিয়মিত ১৫ দিন সেবন করলে ‍  পরিপাকশক্তি বৃদ্ধি পায় ও হজমশক্তি বৃদ্ধি পায়  এবং পেটফাঁপায় উপকার পাওয়া যায়।
  • ১৫ মিঃলিঃ আমলকী  রস ও পরিমাণমত মিশ্রী একত্রে মিশিয়ে দৈনিক ২ বার সকালে ও সন্ধ্যায় খালি পেটে নিয়মিত ৪০/৪৫ দিন সেবন করলে ‍ ভিটামিন সি,  ভিটামিন ‘বি-১,  ‘বি-২, এর অভাব জনিত রোগ সমুহে  উপকার হয়।
  • আমলকী দিয়ে তৈরি ৫ টি করে মোরব্বা দৈনিক ৩ বার করে নিয়মিত  ১ মাস সেবন করলে হৃদপিন্ডের দূর্ভলতায় ও মস্তিস্কের দূর্ভলতায় উপকার পাওয়া যায়


                         আশাকরি আজকের  এই আর্টিকেল থেকে আপনি কিছুটা হলে ও উপকৃত হয়েছেন। ব্লগগুলো নিয়মিত পড়লে চিকিৎসা বিষয়ক নতুন নতুন তথ্য পাবেন ইনশাল্লাহ। ধন্যবাদ।

হাকীম মোঃ গাজীউর রহমান ফিরোজ
ডি ইউ এম এস (ঢাকা), কিউ,এইচ,সি,এ
ইউনানী ফিজিশিয়ান
মেবাইল নং ০১৭১৫-৪৯৮১০৬

Post a Comment

0 Comments
Post a Comment (0)
To Top