একে অনেকে ভিন্ন নামে চিনে। জৈন বা যোয়ান বর্ষজীবী গুল্মজাতীয় এক প্রকার গাছের বীজ। যোয়ান গাছ অনেকটা ধনে গাছের মত শাখা-প্রশাখা ও পাতাযুক্ত। গাছগুলো ২ থেকে ৫ ফুট পর্যন্ত উচু হয়। ধনিয়া ফুলের মত ছত্রাকারে সাদা রংয়ের ফুল হয়। ফল গোলাকার ও আকারে ছোট হয়। জৈন গাছ, শিকড় ও বীজ ঔষধে ব্যবহার করা হয়। জৈনতে রয়েছে থাইমল, কার্ভকলের মত শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী উপাদান। এই উপাদানগুলো ফাঙ্গাস ও ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে কাজ করে। জৈনে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। বাত ব্যথা,লিভার প্রদাহ, ও লিভার সিরোসিস নাশক।জৈন-মুত্রথলি ও কিডনীর পাথুরী নাশক এবং সর্বপ্রকার ক্রিমি ও বিষ নাশক।
সাধারণ গুণাগুণঃ
- ২ মিঃগ্রাঃ জৈন চুর্ণ, সামান্য পরিমান বিট লবন ও পরিমাণমত পানি মিশিয়ে নিয়ে দৈনিক ২ বার খাওয়ার পর নিয়মিত ১৫/২০ দিন সেবন করলে পরিপাকশক্তি বৃদ্ধি পায় ও হজমশক্তি বৃদ্ধি পায় এবং পেটফাঁপায় উপকার পাওয়া যায়।
- ২.৫ মিঃগ্রাঃ থেকে ৩ মিঃগ্রাঃ জৈন চুর্ণ, সামান্য পরিমান শুকনো আদা চুর্ণ ও বিট লবন পরিমাণমত গরম পানি মিশিয়ে নিয়ে দৈনিক ২ বার নিয়মিত কিছু দিন সেবন করলে অজীর্ণ ও পাকস্থলীর ব্যথা নিরসনে উপকার পাওয়া যায়।
- ২. মিঃগ্রাঃ জৈন ও ২ মিঃগ্রাঃ জিরা চুর্ণ, ২০০ মিঃলিঃ পরিমান গরম পানি এবং ১ টি কাগজি লেবুর রস একত্রে মিশিয়ে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে নিয়মিত ২ মাস সেবন করলে অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধি জনিত সমস্যা, অনিয়মিত ঋতু-চক্র, ব্যথাযুক্ত ঋতু-চক্র, অঙ্গঢিলা জনিত প্রভৃতি রোগের উপকার পাওয়া যায়।
- জৈন বা যোয়ানের তেল পরিমাণমত নিয়ে, আক্রান্ত স্থানে মেসেজ করলে বাত জনিত ব্যথা ও স্নায়ুবিক ব্যথা সেরে যায়।
আশাকরি আজকের এই আর্টিকেল থেকে আপনি কিছুটা হলে ও উপকৃত হয়েছেন। ব্লগগুলো নিয়মিত পড়লে চিকিৎসা বিষয়ক নতুন নতুন তথ্য পাবেন ইনশাল্লাহ। ধন্যবাদ।
হাকীম মোঃ গাজীউর রহমান ফিরোজ
ডি ইউ এম এস (ঢাকা), কিউ,এইচ,সি,এ
ইউনানী ফিজিশিয়ান
মেবাইল নং ০১৭১৫-৪৯৮১০৬

.jpg)

