দারুচিনি, ( Cinnamon)

0


 দারুচিনিকে সকলেই মশলা হিসেবেই চিনি ৷ দারুচিনি ঝোপঝাড় বিশিষ্ট মাঝারী ধরনের গাছ। মুলত গাছের ছাল মশলা ও ঔষধে ব্যবহার করা হয় ৷ কিন্তু এই মশলা যে বিভিন্ন ব্যথার উপশমকারী উপাদান তা অনেকেই জানি না ৷ বিভিন্ন প্রকার ব্যথায় এটি ব্যবহার করলে ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব৷ দারুচিনির বাকলে থাকে "সিনামাল ডিহাইড" যা দারুচিনির ঘ্রাণের জন্য দায়ী। পাতায় থাকে "ইউজিনল"। এতে রয়েছে ফেলাড্রিন, ক্যারিওফাইলিন এবং লিনালন। অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শরীরের জন্য খুব উপকারী উপাদান। এর অভাবে শরীরে ক্ষতিকর পদার্থের পরিমাণ বেড়ে বিভিন্ন রোগ সৃষ্টি করে। দারুচিনি শরীরে এই অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান বাড়িয়ে বিভিন্ন রোগ থেকে রক্ষা করে। হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে ও অনেক উপকারী এই মসলা। এটি মোট কোলেষ্টেরল থেকে খারাপ এলডিএল কোলেষ্টেরল ও ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা কমায় এবং ভালো এইচডিএল কোলেষ্টেরলকে স্থিতিশীল রাখে। এ ছাড়া প্রাণী গবেষণায় দেখা গেছে যে, দারুচিনি রক্তচাপ কমাতে ও অনেক উপকারী। দারুচিনি কন্ঠস্বরের বিকৃতি, দাঁতের রোগে, কাশি ও শ্বাশকষ্ট ব্যবহৃত হয়। ঔষধে দারুচিনির ছাল, ও তেল ব্যবহৃত হয়। 

সাধারণ গুণাগুণঃ

  • ১ গ্রাম দারুচিনির বাকল চুর্ণ ও সমপরিমাণ আদা শুঁঠ চুর্ণ এবং সামান্য পরিমাণ বিট লবন একত্রে মিশিয়ে নিয়মিত ১০ থেকে ১৫ দিন আহারের পর , দৈনিক ২ বার করে সেবন করলে, হজমশক্তি বৃদ্ধি ও পেটফাপায় উপকার পাওয়া যায়।
  • ১ গ্রাম পরিমাণ দারুচিনির বাকল চুর্ণ চায়ের সাথে সেবন করলে, রক্তের শর্করার মাত্রা কমায়।
  • ২ গ্রাম পরিমাণ দারুচিনির বাকল চুর্ণ ও ৩ চা-চামচ মধু  একত্রে মিশিয়ে নিয়মিত ২০ থেকে ২৫ দিন আহারের পর , দৈনিক ২ বার করে সেবন করলে, যৌনশক্তি বৃদ্ধি ও স্নায়ুবিক শক্তি বৃদ্ধি পায়।
  • ৪/৫ ফোটা দারুচিনির তেল, তুলার মধ্যে ভিজিয়ে আক্রান্ত দাঁতের গোড়ায় দৈনিক ৩/৪ বার লাগালে দাঁতের ব্যথা সেরে যায়।

                                  আশাকরি আজকের  আর্টিকেল থেকে আপনি কিছুটা হলে ও উপকৃত হয়েছেন। ব্লগগুলো নিয়মিত পড়লে চিকিৎসা বিষয়ক নতুন নতুন তথ্য পাবেন। ধন্যবাদ।




















হাকীম মোঃ গাজীউর রহমান ফিরোজ
ডি,ইউ,এম,এস (ঢাকা)কিউ,এইচ,সি,এ
ইউনানী ফিজিশিয়ান
মেবাইল নং ০১৭১৫-৪৯৮১০৬

Post a Comment

0 Comments
Post a Comment (0)
To Top