তুঁত (Mulberry)

0


তুঁত অনেকটা জামের মতো দেখতে। তবে জাম নয়। বিদেশী চেরি ফলের মতো দেখতে। তাও নয়। স্বল্প উচ্চতার বৃক্ষে একই শাখায় কালো ও লালচে দুই রঙের ফল। তুতেঁর লালচে কালো ফল খুবই রসালো, নরম, মিষ্টি টক ও সুস্বাদু। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার জন্য পাকা তুঁত ফল উপকারী। এ ছাড়া পাকা ফলের টক-মিষ্টি রস বায়ু ও পিত্তনাশক, দাহনাশক, কফনাশক ও জ্বরনাশক। তুঁত গাছের ছাল ও শিকড়ের রস কৃমিনাশক। ভিটামিন সি , ভিটামিন এ ,এবং বি তুঁত ফলে বিদ্যমান। আরো আছে খনিজ: পটাসিয়াম, আয়রন, ক্যালসিয়াম ম্যাগনেসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ এবং দস্তা। আঁশ সমৃদ্ধ তাই কোষ্ঠকাঠিন্যের কঠিন পরীক্ষা থেকে রক্ষা করে। রুক্ষ ত্বককে মসৃণ করে লাবণ্য বাড়ায়। তুঁত গাছের পাতা, ফল, মূল ও বাকল ঔষধে ব্যবহৃত হয়।
সাধারণ গুণাগুণঃ
  • ১০ মিঃলিঃ তুঁত ফলের রস ও পরিমাণ মত মধু একত্রে মিশিয়ে নিয়মিত কিছুদিন দৈনিক ৩ বার করে সেবন করলে টনসিলের প্রদাহ সেরে যায়।
  • ৬/৭ টি কাঁচা তুঁত পাতা ও ৫ টি জবা ফুল ৩০০ মিঃলিঃ পানিতে সিদ্ধ করে অর্ধেক থাকতে নামিয়ে , পরিমাণ মত মধু মিশিয়ে , নিয়মিত ৮-১০ দিন দৈনিক ২ বার করে সেবন করলে শরীরের জ্বালাপোড়ায় উপকার পাওয়া যায়।
  • ৭/৮ টি কাঁচা তুঁত পাতা ২৫০ মিঃলিঃ পানিতে সিদ্ধ করে অর্ধেক থাকতে নামিয়ে, কুসুম গরম অবস্থায় গার্গল করলে, গলাভাঙ্গা বা স্বরভঙ্গে  উপকার পাওয়া যায়।
  • তুঁত ফলের রস কিংবা পাতার নির্যাসে জৈব যৌগ ১-ডি অক্সিনোজিরিমাইসিন থাকে। এটি রক্তের শর্করার মাত্রা কমিয়ে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আনে।
  • ১৫ মিঃলিঃ তুঁত ফলের রস নিয়মিত কিছুদিন দৈনিক ৩ বার করে সেবন করলে অধিক পিপাসায় উপকার পাওয়া যায়।



















হাকীম মোঃ গাজীউর রহমান ফিরোজ
ডি,ইউ,এম,এস (ঢাকা)কিউ,এইচ,সি,এ
ইউনানী ফিজিশিয়ান
মেবাইল নং ০১৭১৫-৪৯৮১০৬

Post a Comment

0 Comments
Post a Comment (0)
To Top