কলমী শাক একটি বর্ষজীবী লতানো ভেষজ উদ্ভিদ। বর্ষার শেষে বা হেমন্তে ফুল ফোঁটে। কলমী শাকে সোডিয়াম, ক্যালশিয়াম, পটাশিয়াম, ভিটামিন-এ, ভিটামিন-বি, সহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ উপাদান পাওয়া যায়। যাহা শরীরের চাহিদা পুরণ করে । গণোরিয়া হলে আর সেই সাথে ব্যথা ও পুঁজ জমলে ৪/৫ চা-চামচ কলমিশাকের রসের সাথে পরিমাণমতো ঘি মিশিয়ে সকাল-বিকাল এক সপ্তাহ খেলে রোগী সুস্থ হয়ে উঠবে। কলমীশাক দেহের হাড় মজবুত করে। চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়। শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট তৈরি করে। রক্তশূন্যতা, রাতকানা, কোষ্ঠকাঠিন্য, অনিদ্রা এবং মাথার খুশকি দূরীকরণের পাশাপাশি নারীর ঋতুস্রাবজনিত এবং শরীরবৃত্তিয় সমস্যা সমাধানে ভূমিকা রাখে। স্কাার্ভি ও বসন্ত রোগের প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে। তাই বহু গুণে গুণান্বিত কলমী শাক দেহের জন্য খুবই উপকারী। কান্ড ও পাতার রস ঔষধে ব্যবহার করা হয়।
সাধারণ গুণাগুণঃ
- ২০ থেকে ৩০ মিঃলিঃ কলমী শাকের রস ও ১ চা-চামচ পরিমাণ গাওয়া ঘি একত্রে মিশিয়ে নিয়মিত ১৫-১৬ দিন , দৈনিক ২ বার করে সেবন করলে মাতৃদুগ্ধ বৃদ্ধি পায়।
- ২০ থেকে ৩০ মিঃলিঃ কলমী শাকের রস ও ১০০ মিঃ লিঃ গরুর দুধ একত্রে মিশিয়ে নিয়মিত ২৫-৩০ দিন , দৈনিক ২ বার করে সেবন করলে শারীরিক শক্তি ও স্নায়ুশক্তি বৃদ্ধি পায়।
- ২০ থেকে ৩০ মিঃলিঃ কলমী শাকের রস ও সমপরিমাণ গুলঞ্চের রস একত্রে মিশিয়ে নিয়মিত ১০-১২ দিন , দৈনিক ২ বার করে সেবন করলে গণোরিয়ায় উপকার পাওয়া যায়।
- হাত-পা জ্বালা করলে ২০ ২৫ মিঃলিঃ শাকের রসের সাথে সামান্য গরুর দুধ মিশিয়ে সকালে খালি পেটে ১ সপ্তাহ খেলে উপকার পাওয়া যায়।
আশাকরি আজকের আর্টিকেল থেকে আপনি কিছুটা হলে ও উপকৃত হয়েছেন। ব্লগগুলো নিয়মিত পড়লে চিকিৎসা বিষয়ক নতুন নতুন তথ্য পাবেন। ধন্যবাদ।
হাকীম মোঃ গাজীউর রহমান ফিরোজ
ডি,ইউ,এম,এস (ঢাকা)কিউ,এইচ,সি,এ
ইউনানী ফিজিশিয়ান
মেবাইল নং ০১৭১৫-৪৯৮১০৬



