বাংলাদেশের জাতীয় ফল হল কাঁঠাল। কাঁঠাল খুবই সুস্বাদু ও রসাল ফল। বসন্ত ও গ্রীষ্মের প্রথমে কাঁচা কাঁঠাল এবং গ্রীষ্ম ও বর্ষায় পাকা কাঁঠাল পাওয়া যায়। কাঁঠালে পর্যাপ্ত পরিমাণে শর্করা, ক্যালোরি, ফ্রূক্টোজ, ও সুক্রোজ রয়েছে। যা শরীরে দ্রুত শক্তি বাড়ায়। আমিষ, শ্বেতসার অপুষ্টিজনিত সমস্যা দূর করে। কাঁঠালে কোলেস্টেরল জাতীয় উপাদান খুবই কম থাকায় বিশেষজ্ঞরা এ ফলটিকে অধিক স্বাস্থকর ফলের তালিকায় রেখেছেন। কাঁঠালের হলুদ রংয়ের কোষ হলো ভিটামিন এ, সমৃদ্ধ ও বিটা ক্যারোটিন সমৃদ্ধ। যা দৃষ্টিশক্তি ও চোখের সুরক্ষায় অত্যান্ত কার্যকরী। এ ছারা ও রয়েছে ভিটামিন এ, সি, বি-১, বি-২, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম সহ নানা রকমের পুষ্টি ও খনিজ উপাদান। যাহা মানব দেহকে সুস্থ ও সবল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সুস্থ থাকলে প্রতিদিন কাঁঠাল খাওয়া যায়। কাঁঠাল সব বয়সি নারী-পূরুষের জন্য পুষ্টিগুণে ভরপুর েএকটি ফল। বীজে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ থিয়ামিন এবং রাইবোফ্লাবিন যা এনার্জির ঘাটতি দূর করে। জিঙ্ক, আয়রণ, ক্যালসিয়াম, কপার, পটাসিয়াম, এবং ম্যাগনেসিয়াম বিদ্যমান থাকায় শরীরের ত্বককে সুন্দর করে তোলে। কাঁঠালের বীজ ত্বকের ভিতরে জমে থাকা টক্সিক উপাদান বের করে ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
সাধারণ গুণাগুণঃ
- ৫ গ্রাম পরিমান শুস্ক মচি, ২০০ মিঃলিঃ পানিতে জ্বাল করে ১০০ মিঃলিঃ থাকতে নামিয়ে ছেকে নিয়মিত কিছুদিন দৈনিক ২ বার করে সেবন করলে মাংশপেশী সবল হয়।
- ২০ মিঃলিঃ পাকা কোষের রস ও ৫০ মিঃলিঃ দুধ একত্রে মিশিয়ে নিয়মিত কিছুদিন দৈনিক ২ বার করে সেবন করলে ক্লান্তি দূর হয়ে সজিবতা ফিরে আসে।
- দৈনিক ২০০ গ্রাম পাকা কাঁঠাল খেলে গরভবতী মহিলা ও তার গর্ভধারণকৃত সন্তানের সকল প্রকার পুষ্টির অভাব দূর হয় এবং গর্ভস্থ সন্তানের বৃদ্ধি স্বাভাবিক হয়।
- ৩০ মিঃলিঃ কচি পাতার রস ও সমপরিমাণ সরিষার তেল একত্রে জ্বাল দিয়ে ফুটিয়ে আক্রান্ত স্থানে প্রলেপ দিলে চর্ম রোগে উপকার পাওয়া যায়।



