ওলট কম্বলের গাছ বনে-জঙ্গলে জন্মে অথবা রোপন করা হয়। ওলট কম্বলের গাছ সাধারণত ৮ থেকে ১০ ফুট পর্যন্ত উচু হয়। গাছ বেশি মোটা হয় না এবং এরন্ড গাছের কাঠের মত নরম ও ধুসর বর্ণের হয়। গাছের ছালে রেশমের মত আঁশ হয়। ফুলের রং মেরুন বর্ণের, ফল পঞ্চকোণবিশিষ্ট লোমাবৃত। ফল কাচা অবস্থায় সবুজ এবং পাকলে ধুসর বর্ণের হয়। গাছে যখন ফুল ধরে তখন ডালের ডগার পাতাগুলো আকারে বাসক পাতার মত দেখায়। আগষ্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে ফুল ও অক্টোবর হতে জানুয়ারী মাস পর্যন্ত ফল হতে থাকে। ফলের বীজগুলো কালীজিরার মত। ওলট কম্বলে অ্যালকালয়েড, স্টেরল,গঁদ ও ম্যাগনেশিয়াম লবন বিদ্যমান থাকায় ইহা শরীরের জন্য খুবই উপকারী। ওটল কম্বল অনিয়মিত ঋতুস্রাব ও বন্ধাত্বরোধ করে, গণোরিয়া রোধ করে ও গর্ভাশয়ের শক্তি বৃদ্ধি করে। ওলট কম্বলের গাছ, পাতা, ও মূলের ছাল ঔষধী হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
সাধারণ গুণাগুণঃ
- ৪ টা ডাঁটা ২৫০ মিঃলিঃ পানিতে ভিজিয়ে রেখে কচলিয়ে নিয়মিত কিছুদিন সকাল-সন্ধ্যায় খালি পেটে সেবন করলে প্রস্রাবের জ্বালা-যন্ত্রণায় উপকার পাওয়া যায়।
- ৪ গ্রাম পরিমাণ শুস্ক মূলের ছাল চূর্ণ ২৫৯ মিঃলিঃ পানি সহ নিয়মিত কিছুদিন সকাল-সন্ধ্যায় খালি পেটে সেবন করলে প্রদর-এ উপকার পাওয়া যায়।
- ৫ গ্রাম পরিমাণ তাজা মূলের ছাল পিষে ১০০ মিঃলিঃ পানি সহ নিয়মিত কিছুদিন সকাল-সন্ধ্যায় খালি পেটে সেবন করলে জরায়ুর স্থান-চ্যুতিতে উপকার পাওয়া যায়।
- ৬০ গ্রাম পরিমাণ তাজা মূলের ছাল ২৫০ মিঃলিঃ পানিতে জ্বাল দিয়ে অর্ধেক হলে নামিয়ে ছেকে নিয়মিত কিছুদিন সকাল-সন্ধ্যায় খালি পেটে সেবন করলে অনিয়মিত ঋতুস্রাব ও বন্ধাত্বরোধ করে।
আশাকরি আজকের আর্টিকেল থেকে আপনি কিছুটা হলে ও উপকৃত হয়েছেন। ব্লগগুলো নিয়মিত পড়লে চিকিৎসা বিষয়ক নতুন নতুন তথ্য পাবেন। ধন্যবাদ।
হাকীম মোঃ গাজীউর রহমান ফিরোজ
ডি,ইউ,এম,এস (ঢাকা)কিউ,এইচ,সি,এ
ইউনানী ফিজিশিয়ান
মেবাইল নং ০১৭১৫-৪৯৮১০৬



