আমরুলশাক/ তেপাততী (Indian Sorrel)

0

 


আমরুলশাক হল একটি তৃণ জাতীয় উদ্ভিদ। আমরুলশাক সরু লতানো এবং ছোট ছোট উদ্ভিদ যা মাটিতে প্রসারিত হয়। ডাটার মাথায় তিনটি পাতা থাকে।সরু লতানো  উদ্ভিদটি রাস্তার আশে পাশে, ঝোপে- ঝাড়ে, বাড়ির আনাছে-কানাছে দেখা যায়। সারা বছর কম-বেশি জন্মে, তবে বর্ষাকালে ভেজা মাটিতে বেশি জন্মায়। সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে ফুল ও ফল হয়। ডাটার গোড়া থেকে হলুদ ফুল বের হয়। ফল আকারে যবের মত, ফলের মধ্যে অনেক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বীজ থাকে। আমরোলশাক পিত্ত নাশক,মুত্রকারক এবং পাকস্থলী ও লিভারের শক্তিবর্দ্ধক। উষ্ণ প্রকৃতির লোকের যৌন শক্তি বর্দ্ধক। পান্ডূরোগে উপকারী এবং রুচি ও জিহ্বা পরিস্কারক। আমরুলশাক ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে খুব উপকারী। এর পাতায় রয়েছে প্রচুর ভিটামিন-সি, ক্যারোটিন, ক্যালসিয়াম ও পটাশিয়াম। আমরুলশাকের সমগ্র উদ্ভিদটি ঔষধে ব্যবহৃত হয়।

সাধারণ গুণাগুণঃ

  • ৫০ মিঃলিঃ রস পরিমাণমত আখের গুড় সহ নিয়মিত ৩ মাস দৈনিক ২ বার করে সেবন করলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রেণে থাকে।
  • পরিমানমত আমরুল শাক, অল্প পরিমাণ হলুদ ও সামান্য লবন একত্র করে পেস্ট বানিয়ে নিয়মিত কিছুদিন দাঁতে ব্যবহার করলে দাঁতের মাড়ি শক্ত হয়, মুখের দুর্গন্ধ দুর হয়।
  • যারা লিভারের সমস্যায় আছেন, নিয়মিত ২০/২৫ দিন ৮/১০ টি পাতা চিবিয়ে খেলে উপকার পাওয়া যায়।
  • আমরুলশাকের রস নিয়মিত কিছুদিন আক্রান্তস্থানে লাগালে চুলকানী সেরে যায়।
  • ১০০ মিঃলিঃ আমরুলশাকের রস নিয়মিত ৭/৮ দিন , প্রতিদিন বিকালে সেবন করলে শ্বাসকষ্টরোগে উপকার পাওয়া যায়
                                                    আশাকরি আজকের  আর্টিকেল থেকে আপনি কিছুটা হলে ও উপকৃত হয়েছেন। ব্লগগুলো নিয়মিত পড়লে চিকিৎসা বিষয়ক নতুন নতুন তথ্য পাবেন। ধন্যবাদ।














হাকীম মোঃ গাজীউর রহমান ফিরোজ
ডি,ইউ,এম,এস (ঢাকা)কিউ,এইচ,সি,এ
ইউনানী ফিজিশিয়ান

মেবাইল নং ০১৭১৫-৪৯৮১০৬


Post a Comment

0 Comments
Post a Comment (0)
To Top