অর্জুন গাছ প্রায় ৫০ থেকে ৬০ ফুট উচু বিশিষ্ট ভেষজ বৃক্ষ। পাতা সরল, আয়তকার লম্বা, দেখতে অনেকটা মানুষের জিহ্বার আকৃতির। ফুল ছোট সাদা ও হলুদ বর্ণের পুষ্পদন্ডের চতুর্দিকে হয়। ফল দেখতে ছোট কামরাঙ্গার মত প্রায় ১ ি লম্বা। অর্জুন ছাল রতি শক্তি বর্দ্ধক এবং শুক্রমেহ ও হৃদ রোগে বিশেষ উপকারী। অর্জুন ছালের ক্বাথ দ্বারা কুলি করলে দাঁতের গোড়া শক্ত হয় এবং সেবন করলে হাড় ভাঙ্গা জোড়া লাগে ও ক্ষত রোগে আরোগ্য হয়। অর্জুন গাছের ছাল এমন একটি ঔষধী গাছ, যাহা অনেক বড় বড় রোগের ঔষধ হিসেবে কার্যকরী ভুমিকা রাখে। অর্জুন ছালে অ্যালকালয়ডীয় ও গ্লা্কোসা্ডিীয়, স্যাপোজেনিন, ফ্ল্যাভোন, ল্যাকটোন, উদ্বায়ী তেল ও জৈব এসিড বিদ্যমান থাকায় িমানব দেহের জন্য খুব উপকারী। অর্জুনের ছাল, পাতা ও ফল ঔষধে ব্যবহৃত হয়।
সাধারণ গুণাগুণঃ
- ৩ গ্রাম পরিমাণ শুস্ক ছাল চূর্ণ নিয়মিত কিছুদিন ১ গ্লাস দুধ সহ সেবন করলে হৃদপিন্ডের শক্তি বৃদ্বি সাধারন দুর্বলতায় উপকার পাওয়া যায়।
- ৪ গ্রাম পরিমাণ শুস্ক ছাল চূর্ণ নিয়মিত কিছুদিন ছাগলের দুধ ১ গ্লাসের সাথে মিশিয়ে সেবন করলে অ্যাজমা রোগে উপকার পাওয়া যায়।
- অর্জুন গাছের ছাল , মধুর সাথে মিশিয়ে নিয়মিত কয়েক দিন ব্রণের উপর লাগালে ব্রণ ভাল হয়ে যায়।
- অর্জুন গাছের ছাল পানিতে ১২ ঘন্টা ভিজিয়ে রেখে ৈঐ পানি দিয়ে আক্রান্ত স্থান নিয়মিত কয়েক দিন দৌত করলে শরীরের ঘা বা দুষিত ক্ষত ভাল হয়ে যয়ি।
- ২০ গ্রাম পরিমাণ আধাচূর্ণ ছাল ২০০ মিঃলিঃ পানিতে ১২ ঘন্টা ভিজিয়ে রেখে পরবর্তিতে জ্বাল দিয়ে অর্ধেক থাকতে নামিয়ে ছেকে ঐ পানিটুকু নিয়মিত কিছুদিন সেবন করলে প্রমহ নিরসন হয়।
- ৪/৫ গ্রাম পরিমাণ শুস্ক ছালের চুর্ণ ১০০ মিঃলিঃ পানিতে রাতে ভিজিয়ে রেখে পরের দিন সকালে খালি পেটে নিয়মিত কিছুদিন সেবন করলে লিভার সুস্থ্য থাকে।
আশাকরি আজকের আর্টিকেল থেকে আপনি কিছুটা হলে ও উপকৃত হয়েছেন। ব্লগগুলো নিয়মিত পড়লে চিকিৎসা বিষয়ক নতুন নতুন তথ্য পাবেন। ধন্যবাদ।
হাকীম মোঃ গাজীউর রহমান ফিরোজ
ডি,ইউ,এম,এস (ঢাকা)কিউ,এইচ,সি,এ
ইউনানী ফিজিশিয়ান
মেবাইল নং ০১৭১৫-৪৯৮১০৬



