কামিনী ছোট আকৃতির ক্ষুপজাতীয় চিরসবুজ বৃক্ষ। কামিনী গাছ ৮ থেকে ১০ ফুট পর্যন্ত উচু হয়। পাতা ছোট প্রায় ডিম্বাকৃতির, পাতার বর্ণ গাঢ় সবুজ। এর ফল ছোট ও ডিম্বাকৃতি পাকলে লাল ও কমলা বর্ণ ধারন করে। থোকায় থোকায় ফল ধরে। গ্রীষ্ম,বর্ষা ও শরতে কামিনী গাছে সাদা বর্ণের ফুল হয়। কামিনী গাছের পাতার চাহিদা বেশি। বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজনে কামিনীর পাতার প্রয়োজন একটু বেশি। এই পাতার শক্তি বেশি। একটি পাতা কেটে রোদে রাখলে ৩ দিন পর্যন্ত সতেজ থাকে এবং ভিজিয়ে রাখলে ১৫ দিন পর্যন্ত সতেজ থাকে। বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদানের মধ্যে মনোটরপিন, সিসকুইটারপিন সমৃদ্ধ তেল, কুমেরিন, মুরালঙ্গিন, অসথোল বিদ্যমান। কামিনী শ্বাসকষ্ট, বাত-ব্যথা ও রক্ত ক্ষরণ বন্ধে বিশেষ কাজ করে। পাতা, ফুল ও গাছের বাকল ঔষধে ব্যবহৃত হয়।
সাধারণ গুণাগুণঃ
- ১০ মিঃলিঃ কচি পাতার রস, সমপরিমাণ তুলসি পাতার রস ও ২ চা-চামচ মধু একত্রে মিশিয়ে নিয়মিত ২ মাস , দৈনিক ২ বার করে সেবন করলে শ্বাসকষ্ট রোগে উপকার পাওয়া যায়।
- ৫ গ্রাম পরিমান শুস্ক বাকল চূর্ণ ও সমপরিমাণ বেলশুঁঠ চূর্ণ একত্রে মিশিয়ে নিয়মিত ৭/৮ দিন , দৈনিক ২ বার করে সেবন করলে আমাশয়ে উপকার পাওয়া যায়।
- কামেনি পাতার রস শরীরে নিয়মিত কিছু দিন ব্যবহার করলে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে এবং ত্বকের দাগ দূর করে ।
- কামেনি পাতার রস মাথার চুলে নিয়মিত কিছু ব্যবহার করলে চুল বৃদ্ধি পায় এবং চুলকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করে ।
হাকীম মোঃ গাজীউর রহমান ফিরোজ
ডি,ইউ,এম,এস (ঢাকা)কিউ,এইচ,সি,এ
ইউনানী ফিজিশিয়ান
মেবাইল নং ০১৭১৫-৪৯৮১০৬



