অনন্তমূল একটি সরু লতানো উদ্ভিদ। কান্ডের উভয়দিকে লোমযুক্ত পাতা হয়। পাতাগুলো অসমান ডিম্বাকৃতির ও লম্বা অগ্রভাগ মোটা। পাতার মধ্যে সাদা বর্ণের দাগ থাকে। কোন কিছুর উপর ভর করে কিংবা অন্য গাছকে অবলম্বন করে পেছিয়ে থাকে। মূল অনেক লম্বা হয় এবং মাটির অনেক গভীরে প্রবেশ করে বলে এর নাম হয়েছে অনন্তমূল। পাতা ও লতার যে কোন অংশ ছিড়লেই সাদা রংঙের কষ বের হয়। বর্ষাকালে ফুল হয় এবং শীতের প্রথমে ফল পাকে। অনন্তমূল বলকারক, মোলায়েমকারক ও রক্ত পরিস্কার কারক। সর্ব-প্রকার চর্মরোগ- খুজলী, পাচড়া, চুলকানী, দাদ এবং পুরাতন বাত রোগে উপকারী। সন্ধি বাত, বিষাক্ত ক্ষত ও জরায়ুর বিভিন্ন রোগে উপকারী। অনন্তমূলে কুমারিন ও উদ্বায়ী তেল বিদ্যমান রয়েছে। তাছাড়া ও স্টেরল, টার্পিন, অ্যালকোহল, লুপিয়ল ও ট্যানিন এর মত মূল্যবান উপাদান থাকায় ইহা মানবদেহের জন্য খুবই উপকারী। এর মূল, কান্ড ও পাতা ঔষধে ব্যবহৃত হয়।
সাধারণ গুণাগুণঃ
- ১ থেকে ৩ গ্রাম মূল চুর্ণ নিয়মিত কিছুদিন দৈনিক ২ বার করে আহারের পর সেবন করলে , খোস-পাচঁড়া রোগে উপকার পাওয়া যায়।
- ১০ থেকে ১৫ মিঃলিঃ পাতাসহ গাছের রস নিয়মিত কিছুদিন সকালে খালি পেটে সেবন করলে ক্ষুধামান্দা বা অরুচিতে ভাল উপকার পাওয়া যায়।
- ৩ থেকে ৫ গ্রাম কাচা পাতাসহ কান্ড পিষে রস বের করে, ২ চা-চামচ মধুসহ নিয়মিত কিছুদিন দৈনিক ২ বার করে আহারের পর সেবন করলে , হাত-পা জ্বালায় রোগে উপকার পাওয়া যায়।
- ৩ গ্রাম পরিমাণ অনন্তমূল পানিতে পিষে সামান্য পরিমাণ সন্ধ্যব লবণ মিশিয়ে নিয়মিত কিছুদিন সেবন করলে েএকজিমা ও শ্বাসকষ্ট রোগে উপকার পাওয়া যায়।
আশাকরি আজকের এই আর্টিকেল থেকে আপনি কিছুটা হলে ও উপকৃত হয়েছেন। ব্লগগুলো নিয়মিত পড়লে চিকিৎসা বিষয়ক নতুন নতুন তথ্য পাবেন ইনশাল্লাহ। ধন্যবাদ।
হাকীম মোঃ গাজীউর রহমান ফিরোজ
ডি,ইউ,এম,এস (ঢাকা)কিউ,এইচ,সি,এ
ইউনানী ফিজিশিয়ান
মেবাইল নং ০১৭১৫-৪৯৮১০৬



