কুসুম ফুল বর্ষজীবী গুল্মজাতীয় রোমশ ভেষজ উদ্ভিদ। গাছের উচ্চতা ১ থেকে ৩ ফুট পর্যন্ত হয়ে থাকে। পাতা করাতের মত কাটা কাটা। গাছের ডগায় হলদে আভাযুক্ত বা কমলা রঙের ফুল হয়। বীজ ত্রিকোণাকার সাদা এবং উপরি অংশ মসৃণ। শীতকালে ফুল ও গ্রীষ্মকালে ফল হয়। কুসুম ফুল মুত্রবর্ধক, বাত ব্যথা, গেটেবাত, সন্ধি প্রদাহ, পক্ষাঘাত, পিত্ত প্রশমক, জন্ডিস, সর্দি ও শারীরিক দর্বলতায় কার্যকরী। কুসুম ফুলে রঞ্জক পদার্থ স্যাফ্লোমিন-এ এবং কারথ্যামিন আছে। বীজ স্থায়ী তেল সমৃদ্ধ, েএছাড়া ও বীজে ম্যাটেইরিসিনল মনো-গ্লাইকোসাইড, ক্যাথারটিক লিগনাল এবং ফিনোলিক যৌগ বিদ্যমান আছে। কুসুম ফুল, বীজ ও বীজের তেল ঔষধে ব্যবহৃত হয়।
সাধারণ গুণাগুণঃ
- ১ গ্রাম পরিমাণ আধাচুর্ণ ফুল , সমপরিমাণ সোনা পাতার সাথে একত্রে মিশিয়ে ১০০ মিঃলিঃ পানিতে জ্বাল করে ৫০ মিঃলিঃ থাকতে নামিয়ে ছেকে প্রয়োজনমত মধু মিশিয়ে রাত্রে শয়নকালে কয়েকদিন সেবন করলে কোষ্ঠ কাঠিন্য সেরে গিয়ে স্বাভাবিক মল ত্যাগ হবে।
- ১ গ্রাম পরিমাণ বীজ চুর্ণ ও সমপরিমাণ অশ্বগন্ধাচুর্ণ একত্রে মিশিয়ে নিয়মিত ১ মাস, দৈনিক ২ বার গরম দুধসহ সেবন করলে শারীরিক দুর্বলতায় উপকার পাওয়া যায়।
- ৫০০ মিঃ গ্রাঃ বীজ চুর্ণ ১ গ্লাস পরিমাণ ডাবের পানির সাথে মিশিয়ে নিয়মিত ৭ থেকে ১০ দিন, দৈনিক ২ বার করে সেবন করলে মুত্র কৃচ্ছতা বা প্রস্রাবের জ্বালাযন্ত্রনায় উপকার পাওয়া যায়।
- প্রয়োজনমত বীজের তেল আক্রান্ত স্থানে মালিশ করে আকন্দ পাতা দিয়ে সেক দিলে বাত ব্যথা ও সন্ধি ব্যথায় উপকার পাওয়া যায্
আশাকরি আজকের এই আর্টিকেল থেকে আপনি কিছুটা হলে ও উপকৃত হয়েছেন। ব্লগগুলো নিয়মিত পড়লে চিকিৎসা বিষয়ক নতুন নতুন তথ্য পাবেন ইনশাল্লাহ। ধন্যবাদ।


