গাজর একটি বর্ষজীবী উদ্ভিদ।গাছ ১ থেকে ১.৫ মিটার পর্যন্ত উচু হয়। ফল রোমশ ও সাদা বর্ণের । কন্দ বা মূল মূলার মত এবং বর্ণ গাঢ় ও কমলা লেবুর মত। গাজর দেখতে খুবই সুন্দর, রয়েছে তার বহুবিধ পুষ্টি গুণ। গাজর ৫০ থেকে ৫০০ গ্রাম পর্যন্ত খাওয়া যায়। অতিরিক্ত মাত্রায় গাজর খাওয়া উচিৎ না। অতিরিক্ত মাত্রায় সেবন করলে পাকস্থলীর জন্য ক্ষতিকর। গাজরে যে পরিমাণ পুষ্টি উপাদান রয়েছে, তাহা শরীরের জন্য খুব উপকারী।
সাধারণ গুণাগুণঃ
- লাল , কমলা রঙ্গের ফল-মূল, সবজি, মিষ্টি কুমড়া, তরমুজ, গাজরে রয়েছে প্রচুর পরিমানে বিটা-ক্যারোটিন যা দৃষ্টি শক্তি ও চোখের সুরক্ষায় অত্যান্ত কার্যকরী। বিটা-ক্যারোটিন শরীরে ভিটামিন ‘এ‘ তে রুপান্তিত হয়। ভিটামিন এ একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান, যা চোখের দৃষ্টি শক্তি বৃদ্ধির পাশাপাশি শরীরের অন্যান্য স্বাস্থ্যগত উপকারে সহায়তা করে।
- অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, বিটাক্যারোটিন, আর ভিটামিন ই গাজরে বিদ্যমান থাকায় এগুলো শরীরে শুক্রাণু তৈরি করে ও গাঢ় করে। গাজর লিভার ফাংশনে অবদান রাখায় টেস্টোস্টেরন বৃদ্ধি পায় এবং ইস্ট্রোজেন হ্রাস পায়।
- পাতা ও বীজের জোসান্দা সেবনে প্রসব ব্যথা বৃদ্ধি করে এবং তাড়াতাড়ি সন্তান প্রসবে সহায়তা করে।
- প্রতিদিন একটি করে গাজর খেলে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায়।
- গাজরে রয়েছে ভিটামিন এ, বি৬, ভিটামিন কে, বায়োটিন। ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধির জন্য এমনই একটি গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান হল বায়োটিন। গাজরে ফাইবার বা আশঁযুক্ত থাকার কারনে খাবারে মেটাবলিজম বাড়াতে সাহয্য করে । গাজর ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।
- গাজরের জুস প্রতিদিন এক গ্লাস খালি পেটে খেলে শরীরের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
আশাকরি আজকের এই আর্টিকেল থেকে আপনি কিছুটা হলে ও উপকৃত হয়েছেন। ব্লগগুলো নিয়মিত পড়লে চিকিৎসা বিষয়ক নতুন নতুন তথ্য পাবেন ইনশাল্লাহ। ধন্যবাদ।
হাকীম মোঃ গাজীউর রহমান ফিরোজ
ডি ইউ এম এস (ঢাকা), কিউ,এইচ,সি,এ
ইউনানী ফিজিশিয়ান
মেবাইল নং ০১৭১৫-৪৯৮১০৬




খেতে ধারুণ
ReplyDelete